নবগঠিত রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু প্রাথমিকভাবে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এর মাধ্যমে জাতীয় পার্টি (এ) দুর্গ ভেঙ্গে বিজয় নিশ্চিত করলো আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী। গতকাল রাত ১টা পর্যন্ত সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী শহরের পুলিশ কমিউনিটি হলে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বেসরকারি ফলাফলে ঝন্টু পেয়েছেন ৯৬ হাজার ১২৭ ভোট। জাতীয় পার্টি (এ) থেকে বহিষ্কৃত মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৩২৫ ভোট। এরশাদের আশীর্বাদ থাকা সত্ত্বেও এই নির্বাচনে তৃতীয় হয়েছেন জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক পৌর মেয়র একেএম আবদুর রউফ মানিক। ইতিমধ্যে ১৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৯টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এদিকে বিএনপির প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা (আনারস) সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি করেন, সেনা মোতায়েন না করায় নির্বাচন সুষ্ঠু হয় নি।
তিন লাখ ৫৭ হাজার ৭৪২ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে একজন মেয়র ও ৩৩ সাধারণ কাউন্সিল এবং ১১ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন। নির্বাচনে শতকরা প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে ধারণা করছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল রাতে স্থানীয় পুলিশ কমিউনিটি হলের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। কমিশনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ১৩০টি কেন্দ্রে শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু মোটর সাইকেল প্রতীকে ৭৮ হাজার ১৯ ভোট পেয়েছেন। মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা হাঁস প্রতীকে ৫৪ হাজার ৮৪২ এবং তৃণমূল জাতীয় পার্টির মহানগর আহ্বায়ক আব্দুর রউফ মানিক চশমা প্রতীকে ২৫ হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়েছেন।
মেয়র পদের মধ্যে অন্য প্রার্থীরা হলেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: সাফিউর রহমান (দোয়াত কলম), আবদুল কুদ্দুস (তালা প্রতীক), এ টি এম গোলাম মোস্তফা (জাহাজ প্রতীক), কাজী মাজিরুল ইসলাম লিটন (টেলিভিশন প্রতীক), ফিরোজ কবির চৌধুরী (কাপ-পিরিচ প্রতীক), মো: আলী হায়দার সরকার (টেবিল প্রতীক), মো: ফারুখ আজীজ (ঘোড়া প্রতীক), মো: মেহেদী হাসান (বনি) প্রজাপতি প্রতীক।
রাতে এক একটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার সাথে সাথে জাপার দুর্গ হিসেবে খ্যাত রংপুরে এমন ফলাফলে হতাশ হয়ে পড়েন দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের আশঙ্কা করছিলেন তারা। জাপার শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তহীনতার ফলেই এমন পরিস্থিতি হয় বলে মনে করছেন এরশাদের ভাতিজা ও রংপুর-১ আসনের (গঙ্গাচড়া) এমপি হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ। এ কারণে বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। নগরীর স্কাইভিউতে ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বড় আব্বুকে মিস গাইড করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ থেকে আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন না দেয়া হলেও দলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা ছিলেন ঝন্টুর সঙ্গে।
নির্বাচনে ফলাফল সম্পর্কে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শরফুদ্দিন ঝন্টু বলেন, জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করতে যাচ্ছে। আশা করি, আমি এই নির্বাচনে জয়লাভ করবো।
ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের মধ্যেও নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। ১২ জন মেয়র প্রার্থী ও ৩৩টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩২৭ ও ১১টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯১ জন প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনের প্রায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই ছিল নারী ভোটারদের লক্ষণীয় উপস্থিতি। দিনভর ভোট কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার ছাড়াও এলাকার সকল বয়সের মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে দারুণ আগ্রহ। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পাওয়া নতুন এই সিটি করপোরেশনের অধিকাংশ এলাকাই গ্রাম। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই ছিল ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। কেন্দ্রের বাইরেও বিপুলসংখ্যাক মানুষকে ভিড় জমাতে দেখা গেছে। সব কেন্দ্রেই ছিল উত্সবের আমেজ। দেশের বড় রাজনৈতিক দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়াই একটি জমজমাট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশা সত্ত্বেও নির্বাচনী উত্সবে ছিল না কোন কমতি।
১৭৮ কেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্রে মোটর সাইকেল প্রতীকের ঝন্টু সমর্থক ও আনারস প্রতীকের বাবলা সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাহীগঞ্জের মহিন্দ্রফতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে এই ঘটনায় জামিল ও লুত্ফর আহত হয়েছেন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের পিঠে আঘাত করা হয়। পুলিশ ওই ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে। আটকৃতরা হলেন আনারসের সমর্থক ফরহাদ ও জোবায়দুল এবং মোটর সাইকেল সমর্থক রাজু। জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে ৩০ নং ওয়ার্ডের একজনকে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাচন নিয়ে সিইসির
সন্তোষ
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ। তবে এই কমিশনের অধীনে ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকেই মডেল নির্বাচন হিসেবে উপহার দেয়ার অপেক্ষার কথা জানান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগরে কমিশনের সম্মেলন কক্ষে রংপুরের নির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে একথা বলেন সিইসি।
মেয়র প্রার্থীদের
ভোটাধিকার
গতকাল সকালে ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে ফলাফল মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন অধিকাংশ মেয়র প্রার্থী। রংপুর সিটি প্রথম নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে বলে জানান তারা। আওয়ামী লীগ নেতা শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু সকাল ৯টার দিকে ভোট দিয়েছেন সালেমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। এসময় তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে। সকাল ৯টা ৫ মিনিটে আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিয়েছেন জাতীয় পার্টি (্এ) থেকে বহিষ্কৃত মেয়র পদপ্রার্থী (হাঁস প্রতীক) মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এসময়ে তিনি বলেন, ফলাফল যাই হোক আমি মেনে নেবো। জাতীয় পার্টির আরেক বহিষ্কৃত প্রার্থী একেএম আবদুর রউফ মানিক (চশমা প্রতীক) মুন্সীপাড়া মরিয়ম নেছা বালিকা বিদ্যালয়ে সকাল পৌন ১০টায় ভোট দেন। দেওয়ানটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টায় কাওসার জামান বাবলা আনারস প্রতীকে ভোট দেন। বাসদের আব্দুল কুদ্দুস সকাল পৌনে ৯টায় ভোট দেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সালমা গার্লস হাই স্কুলে। এছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বী বাকী ৭ প্রার্থী তাদের স্ব স্ব কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
ইভিএমের চার কেন্দ্রে এগিয়ে ঝন্টু
রংপুর সিটির ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ৪টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে-রাজেন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কামদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেরানীরহাট স্কুল এন্ড কলেজ ও কেরানীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই চার কেন্দ্রের ৭ হাজার ৭১৩ ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগের শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু পেয়েছেন ২ হাজার ৫৬৬ ভোট। মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪৬ এবং একেএম আবদুর রউফ মানিক পান ১ হাজার ১৭৬ ভোট। গতকাল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই এই চারটি কেন্দ্রের ফলাফল জানা যায়।
একদিকে ব্যালট বাক্স যাচাই-
বাছাই অন্যদিকে গণনা সমাপ্ত
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাধারণ ভোট কেন্দ্রে যখন ব্যালট বাক্স খুলে ব্যালট পেপার যাচাই-বাছাই চলছিল ঠিক সেই মুহূর্তে মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যে ১১নং ওয়ার্ডের ৪টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গণনা শেষ করে চমক দেখিয়েছে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নির্বাচনী কর্মকর্তারা। এ ঘটনা ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার মহানগরীর রাজেন্দ্রপুর ইউনিয়নে। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ নিয়ে যখন রংপুরের একাধিক মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী আপত্তি জানিয়েছিল তখন নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহণের মাত্র ৫ দিন আগে ইভিএম সম্পর্কে ভোটার ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়।
সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
বেষ্টনী
রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুলিশের তথ্য মতে, প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, বিজিবি, র্যাবসহ পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ছিল পুলিশের টহল ব্যবস্থা। কিছুক্ষণ পর পর র্যাব এবং বিজিবি সদস্যদের গাড়ি নিয়ে টহল দেয়। নির্বাচনের ১৭৮ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ছিল ১০৪টি কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্পরতা ছিল লক্ষ্যণীয়। এসব কেন্দ্রে ২৪ জন এবং সাধারণ কেন্দ্রে ২২ জন করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী এলাকায় র্যাব, বিজিবি ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট ছিল তত্পর। তিন শতাধিক র্যাব, চার হাজার ১২৪ জন পুলিশ ও আনসার, দুই প্লাটুন বিজিবি, ৪৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ছয় জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, ১২ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মকর্তা এবং নির্বাচন কমিশনের একটি পর্যবেক্ষক দল দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন ভিজিলেন্স টিমের দায়িত্বে। রংপুরের পুলিশ সুপার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর জানান, দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোন সহিংস ঘটনা ঘটেনি। র্যাব-৫ রাজশাহী অঞ্চলের অন্তর্গত রংপুর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াডেন লিডার মোঃ সালাহ উদ্দিন আলমগীর জানান, কিছু কেন্দ্রে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি।
রিটার্নিং অফিসার যা বলেন
নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, এই নির্বাচনে ১৭৮ জন প্রিজাইডিং অফিসার, এক হাজার ৭০ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার এবং দুই হাজার ১৪০ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেন। ৫০টি কেন্দ্রে ভিডিও ক্যামেরা বসানো হয়। ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার ছিল নিষিদ্ধ। নির্বাচনে মাত্র চারটি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হয়। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১ জুলাই রংপুুরকে বিভাগ এবং রংপুর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনের গেজেড প্রকাশ করা হয়। গত ২৮ জুন গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে দেশের দশম সিটি করপোরেশন হিসাবে রংপুর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হয়। গত ৫ নভেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ২০৩ বর্গকিলোমিটারের নবগঠিত রংপুর সিটিকে গত ২৬ আগস্ট ৩৩টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে ১১টি। রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় বর্তমান ভোটার সংখ্যা মোট ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৭’শ ৪২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ১’শ ২৮ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬’শ ১৪ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১’শ ৭৮টি এবং ভোট কক্ষ ১ হাজার ৭০টি।
