মাগুরায় উত্পন্ন হচ্ছে বিষমুক্ত সবজি

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:২৪
মাগুরায় বিষমুক্ত সবজি উত্পাদন শুরু হয়েছে। ৪০ জন কৃষক প্রশিক্ষণ নিয়ে এ সবজি উত্পাদন করছেন। বেসরকারি সংস্থা ইসডেপ কনসার্ন ফাউন্ডেশন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারা জেলা থেকে প্রতিবছর প্রায় ১২০ টন বিষমুক্ত সবজি ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৪০ জন কৃষক ক্ষেতে ফেরোমন ট্রাপের মাধ্যমে বিষমুক্তভাবে বেগুন, লাউ, উচ্ছে, পেঁপে, কপি, সিমসহ বিভিন্ন সবজি নিয়মিতভাবে ঢাকায় পাঠাচ্ছে। বেসরকারি সংস্থা ইসডেফের পক্ষ থেকে সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন কৃষকদের কাছ থেকে উত্পাদিত সবজি সরাসরি ক্রয় করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। কৃষকরা জানান, সরাসরি মাঠ থেকে সবজি ক্রয় করায় তাদের পরিবহন খরচ যেমন লাগছে না, তেমনি ফড়িয়ারাও তাদের কষ্টার্জিত লাভের ভাগ নিতে পারছে না। তারা ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। বেসরকারি সংস্থা ইসডেপ কনসার্ন ফাউন্ডেশনের একজন কর্মকর্তা জানান- সরাসরি মাঠ থেকে কৃষকদের কাছ থেকে সবজি ক্রয় করায় কৃষকদের পরিবহন খরচ যেমন লাগছে না, তেমনি ফড়িয়াদের দাপট থেকেও তারা রেহাই পাচ্ছে। অন্যদিকে ক্রেতারা বিষমুক্ত সবজি নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারছে। মাগুরায় ২০০৬ সাল থেকে কৃষকদের নিয়ে বিষমুক্ত সবজি উত্পাদনের কাজ শুরু করেছে এ সংস্থাটি। বর্তমানে জি মার্ক ও ক্যাটালিষ্টের সহযোগিতায় তারা বাজার ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে এসেছেন। তাদের কাজের উদ্দেশ্য হচ্ছে- কৃষকদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং ক্রেতাদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা করা। তাদের বিষমুক্ত সবজি ঢাকার জাপান গার্ডেন সিটি ও ক্রিসেন্ট লেক এলাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাগুরা শহরের সরকারি কলেজের সামনে ্একটি বিষমুক্ত সবজি বিক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখান থেকে ক্রেতারা বিভিন্ন ধরনের সবজি ন্যায্যমূল্যে পাচ্ছেন। মাগুরায় বিষমুক্ত সবজি উত্পন্ন হওয়ায় পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ক্রেতাদের স্বাস্থের দিকটা রক্ষিত হওয়ায় ক্রেতারাও খুশি। অন্যদিকে কৃষকরাও আর্থিক দিকদিয়ে লাভবান হওয়ায় বিষমুক্ত সবজি চাষে এগিয়ে এসেছে।