সিংগাইরে দেদারছে অবৈধ পন্থায় বিক্রি হচ্ছে বালু

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৫৭
ধলেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে প্রতিদিন বালু তুলে ট্রাক ও স্যালো মেশিনের সাহায্যে পাইপ দিয়ে অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছে এই বালু। কতিপয় ব্যক্তি এ বালু বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় লোকজন জানায়, স্থানীয় ভূমি অফিস ও এসিল্যান্ড মোঃ কাজী ফয়সালকে ম্যানেজ করেই বালু ব্যবসায়ীরা এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। কাজী ফয়সালের বর্তমানে ঢাকার ডেমরায় পোস্টিং হয়েছে। অভিযোগে প্রকাশ, প্রতিদিন অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে ফসলি জমি ভেঙ্গে নদীগর্ভে যাচ্ছে। বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকায় সরকার রাজস্ব হারালেও সুবিধা নিচ্ছে কতিপয় ব্যক্তি। নদী থেকে বালু উত্তোলন করে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করছে প্রভাবশালীদের শেল্টারে। সিংগাইর উপজেলার মজলিসপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে ধলেশ্বরী নদীর মাঝখানে ড্রেজার দিয়ে মাটি তোলা হচ্ছে এবং এ মাটি পাইপের সাহায্যে নেয়া হচ্ছে কহিনুর ইসলাম এবং লিটন মিয়ার বাড়ীতে। এলাকাবাসী জানালেন, স্থানীয় সেলিম মেম্বার রাসেল, মামুন ও বাদল এখানে এ মাটি বিক্রি করছে। এরা ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে সরকারি রাস্তা বানানোর কথা বলে এ সমস্ত বাড়ীতে এ মাটি বিক্রি করছে। একই অবস্থা দেখা গেল রাজেন্দ্রপুর গ্রামেও। এখানেও ধলেশ্বরী নদীতে ড্রেজার বসিয়ে স্থানীয় জাফর ও কাওসার মেম্বার সরকারি রাস্তা করার দোহাই দিয়ে প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম, ফজর আলী ও তাইজুদ্দিনের বাড়ীর ডোবা ভরছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রমজান আলী বলেন, ইউএনও’র অনুমতি নিয়েই খাল ভরাট করে রাস্তা বানানোর জন্য নদী থেকে মাটি তোলা হচ্ছে। তবে মাটি বিক্রি হচ্ছে কেন এবং বাড়ীতে ফেলছে কেন এর সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। রাজেন্দ্রপুরের আল্লাদ সরকার ও হযরত আলী জানান, রাস্তা বানানোর কথা বলে নদী থেকে মাটি কাটলেও রাস্তার কাজ অর্ধেক করে বাকি মাটি অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছে।