ভারতের বহুল আলোচিত টেলিকম কেলেঙ্কারি (টুজি কেলেঙ্কারি) ও কমনওয়েলথ গেমসে দুর্নীতির মামলায় আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। টেলিকম খাতে তরঙ্গ বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোনের বিরুদ্ধে গতকাল শুক্রবার আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। গতকাল দিল্লির বিশেষ সিবিআই জজ আদালত কমনওয়েলথ গেমসে দুর্নীতির মামলায় আয়োজক কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান সুরেশ কলমাদি ও সাবেক মহাসচিব ললিত বানোটসহ কলমাদির নয়জন সহযোগির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় চার্জ গঠনের আদেশ দিয়েছে। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
গতকাল দিল্লির বিশেষ সিবিআই জজ আদালত ভারতের অলিম্পিক সংস্থার সাবেক প্রধান ও দিল্লি কমনওয়েলথ গেমস-২০১০ আয়োজক কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান সুরেশ কলমাদি ও সাবেক মহাসচিব ললিত বানোটসহ কলমাদির নয়জন সহযোগির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় চার্জ গঠনের আদেশ দিয়েছে। দুুর্নীতির অভিযোগ উঠলে কংগ্রেস দলের নেতা কলমাদিকে আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। একটি নির্মাণ সংস্থা ও একটি ঘড়ি প্রস্তুত কোম্পানিকে তারা গেমসের কাজ পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে। এই কমিটি যথাসময়ে তাদের কাজ শেষ করতে পারেনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং কার্যক্রম তদারক করেন। গেমস শেষ হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নয় মাস পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, দুর্নীতির ষড়যন্ত্র, জালিয়াতিসহ বিভিন্নি অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনটি কোম্পানির বিরুদ্ধেও অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ১০ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করা হবে।
অন্যদিকে সিবিআইয়ের বিশেষ বিচারক পি সাইনির আদালতে দেয়া অভিযোগপত্রে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতী এয়ারটেল লিমিটেড, ভোডাফোন ইন্ডিয়া লিমিটেড, হাসিসন ম্যাক্স অ্যান্ড স্টারলিং সেলুলার, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস এবং সাবেক টেলিকম সচিব শ্যামল ঘোষকে অভিযুক্ত করেছে। জানা গেছে, এর আগে এফআইআর এ ডট-এর সাবেক উপ-মহাপরিচালক (ভিএএস) এবং বিএসএনএলের সাবেক পরিচালক জে আর গুপ্তের নাম ছিল। গুপ্ত এই মামলায় ৭৩ জন সাক্ষীর মধ্যে একজন।
