রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে নতুন ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলেও ১৬ বছরেও বুঝে পায়নি শুল্ক ও কাস্টমস্ বিভাগ। অথচ উপজেলা পরিষদে বিআরডিবির কাছ থেকে মাসিক ৮ হাজার টাকায় ঘর ভাড়া নিয়ে গোদাগাড়ী শুল্ক কাস্টমস্ অফিসের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৫৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে শুধুমাত্র গোডাউন তৈরি করতেই ব্যয় হয়েছে ৩৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা। আর ভবন নির্মাণের প্রথম পর্যায়ে ১২ লাখ ৪১ হাজার টাকা খরচ হলেও পরবর্তীতে মেঝে মোজাইক করার জন্য আরো ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করেই দু’টি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ৩৩ লাখ টাকা তুলে নিয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের রাজশাহী অফিসের বিভাগ-২-এর প্রকৌশলী ফজলুল হক বলেন,ভবনটি নির্মাণের পর কাস্টমস্ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করতে কয়েকদফা চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু কাস্টমস্ অধিদপ্তর ভবনটি বুঝে নিতে না চাওয়ায় ভবনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। গোদাগাড়ী কাস্টমস্ অফিসের পরিদর্শক আলাউদ্দিন বলেন, ভাড়া ঘরের চারিদিক দিয়ে প্রাচীর না থাকার কারণে চোরাচালানকৃত মালামাল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিজিবি, পুলিশ অভিযান চালিয়ে যে সমস্ত চোরাচালান মালামাল আটক করে তা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী কাস্টমস্ অফিসে জমা দেয়া হয়।
