মিজানুর রহমান ফয়সল এসেছেন সুদূর ইংল্যান্ড থেকে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে পুরাতন প্রায় সব বন্ধুর দেখা পেয়েছেন। শুধু ফয়সল নন সুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে উত্সবে গত দুই দিন মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল। নবীন-প্রবীণদের অংশগ্রহণে উত্সব বিদ্যালয় আঙ্গিনা ছাড়িয়ে সুরমাপাড়ের পুরো শহরে ছড়িয়ে পড়েছিল।
গতকাল শনিবার উত্সবের দ্বিতীয় দিনে স্মৃতিচারণ করেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও ছাত্ররা। বিদ্যালয় মাঠে আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে স্মৃতিচারণ বেশ জমে উঠেছিল। এর পর জুবিলিয়ান মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত সাবেক ছাত্রদের সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। ৯৪ ব্যাচের ছাত্র কল্লোল তালুকদার বলেন, অনেক দিন পর বিদ্যালয় আঙ্গিনায় এলাম। স্কুল জীবনের অনেক বন্ধুদের সাথেই দেখা। চলছে তুমুল আড্ডা।
২০০৪ ব্যাচের শাহেরীন চৌধুরী মিশুক বলেন, মাঝে-মধ্যেই জরুরি কাজে বিদ্যালয়ে আসা হয়। বন্ধু-বান্ধবদের অনেকেই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে লেখাপড়া করছে।
পূর্তি উত্সবে সবার সাথে দেখা হল। আসলে এ আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বিদ্যালয়ের আরেক সাবেক ছাত্র মাইদুল ইসলাম বলেন, পূর্তি উত্সবে এসে ১৪ বছর পর আমার এক বন্ধুকে খুঁজে পেলাম। ৮১ ব্যাচের ছাত্র আইনজীবী রুহুল তুহিন বলেন, এরকম অনুষ্ঠান বেশি বেশি আয়োজন করা প্রয়োজন।
উত্সবের দ্বিতীয় দিনে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতির অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন, প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, ফকির সাহাবুউদ্দিন, সেলিম চৌধুরী, অলক বাপ্পা, ব্যান্ডদল লালন। উত্সবের সদস্য সচিব মতিউর রহমান জানান, সফলভাবেই আমরা উত্সব শেষ করেছি।
