আমরা কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা। এখানে শতকরা ৮৫ জন কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। বিগত কয়েক বছর ধরে পাটের দাম না থাকায় ও গত বছর পেঁয়াজের দাম কম থাকায় কৃষকের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। তাদের মুখে সেই হাসি আর নেই। তবুও খেয়ে না খেয়ে পেঁয়াজের চাষ করেছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ বছর পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও কৃষিপণ্য বিদেশ থেকে অবাধে আমদানি করা হয়। ফলে কৃষক ভাইয়েরা কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। দিন দিন যেভাবে কৃষি উপকরণের দাম বাড়ছে সেভাবে কৃষিপণ্যের দাম বাড়ছে না। যাহোক, অন্তত এই পেঁয়াজ মৌসুম অর্থাত্ পৌষ থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত পেঁয়াজ চাষিদের স্বার্থে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি না করার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. বাবলুর রহমান,
সোনাইকুণ্ডি আল্লার দর্গা,
দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
