কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগের নগর নেতা

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৭
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের দুইদিন আগে আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলন সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিন বছর মেয়াদে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছিল ২০০৩ সালের ১৮ জুন। দীর্ঘ নয় বছর পর হতে যাওয়া এই সম্মেলনকে ঘিরে পদপ্রত্যাশী নেতাদের ব্যস্ততা এখন চোখে পড়ার মতো। শীত উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে নেতা-কর্মীরা ভিড় করছেন। আগ্রহী সকলের এখন একটিই প্রশ্ন, কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগের নগর নেতা? তবে শেখ হাসিনা যাকে এ পদে বসাবেন সবাই তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছেন। এদিকে কে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা হচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তর খোদ মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই দিচ্ছেন। তবে একেকজন একেক সুরে। কেউ বলছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজকেই সভাপতি করা উচিত। কেউ চাচ্ছেন সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এবার সভাপতি পদে আসুন। সভাপতি পদে এই দুজনের পক্ষেই মাঠে রয়েছেন অধিকাংশ নেতা-কর্মী। সাধারণ সম্পাদক পদে এবার বেশ কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন। বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. সেলিম, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, আসলামুল হক আসলাম এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সাঈদ খোকন এই পদটি পেতে চান। এছাড়াও সহ-সভাপতি মুকুল চৌধুরী, কামাল আহমেদ মজুমদার এমপিও গুরুত্বপূর্ণ পদে বসতে আগ্রহী। কাউন্সিলের আগে ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং আগামীতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। বর্তমান কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজ ২৭ ডিসেম্বর কাউন্সিল সফল করতে থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সম্মেলন সফল করার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এরইমধ্যে চারটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে দলের সদস্য নবায়নের ফরম, কাউন্সিলের দাওয়াতপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেত্রীর সংগঠন। নেত্রী যাকে যোগ্য মনে করবেন এবং দলের নেতা-কর্মীরা যাকে সমর্থন করবেন তিনিই হবেন মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আহত হওয়ার পর ২০০৬ সালের নভেম্বরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সিটি মেয়র মোহাম্মদ হানিফের মৃত্যুর পর এখন পর্যন্ত একজন সভাপতি নির্বাচন করা হয়নি। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিয়ে চলছে ঢাকা মহানগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আওয়ামী লীগের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম।