প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেছেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও পরিবেশ বান্ধব উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে একটি স্বাধীন ও সক্ষম বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা। সংবিধানে বিচারকদের কার্যক্ষেত্রে স্বাধীনতার নিশ্চয়তার বিধান করা হয়েছে। তাই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সুশাসন নিশ্চিত করতে বিচারকদের আরো বেশি অবদান রাখতে হবে। মামলার জট নিরসনে আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গতকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতাহের হোসেন ভবন প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ আইন সমিতির ২৭তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, সাধারণ মানুষ স্বল্প ব্যয়ে ও অল্প সময়ে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে। এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। মোকদ্দমায় ব্যয়, মামলার দীর্ঘসূত্রতা, নগরায়নসহ বিভিন্ন কারণে মোকদ্দমার সংখ্যা বাড়ার ফলে মামলা জট সৃষ্টি হয়েছে। তা নিরসনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকতে হবে।
বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার বলেন, আইনজীবীদের পারিপার্শ্বিকতাসহ সবকিছু বুঝে কাজ করতে হবে। সমাজকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে আইনজীবীদের নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে।
সম্মেলনের উদ্বোধক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, দেশের ৩০ লাখ মানুষ বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে জীবন দিয়েছে। স্বাধীনতার এতো বছর পরও মানবতার বিরুদ্ধে যারা অপরাধ করেছে তাদের শাস্তি দিতে পারিনি। সমিতির সভাপতি মো. আবদুন নূর দুলালের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মজিবুল হক খান চুন্নু, বার কাউন্সিলের সদস্য মোস্তফা, মো. রফিকুল হক বেনু, মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, শেখ আলী আহমেদ খোকন প্রমুখ।
