স্বা স্থ্যে র জ ন্য

শসা

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১২, ১৭:১৩
প্রতিদিনের খাবারে সালাদ হিসেবেই শসার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। তবে খাবারের সাথে অনুষঙ্গ হিসেবে শসার কদর বেশি হলেও পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে শসা মোটেও পিছিয়ে নেই। শসা গোর্ড পরিবারের কিউকারবিটাসের অন্তর্গত একটি অতি পরিচিত উদ্ভিদ। শসা এক প্রকারের ফল। লতানো উদ্ভিদে জন্মানো ফলটি লম্বাটে আকৃতির এবং প্রায় ১০-১২ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। এর বাইরের রং সবুজ। তবে পাকলে হলুদ হয়। ভেতরে সাদাটে সবুজ রঙের হয়, এবং মধ্যভাগে বিচি থাকে। এর উত্পত্তি ভারতবর্ষে হলেও বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব জায়গাতেই জন্মে। এটি সাধারণত গরমের সময় বেশি পাওয়া যায়। বেশ কয়েক জাতের শসা রয়েছে। এই ফলে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে এবং জলের পরিমাণ বেশি থাকে। খোসাসহ একটি কাঁচা শশা’র প্রতি ১০০ গ্রামে ক্যালোরির পরিমাণ ২০ কিলো ক্যালোরি। বাংলাদেশে শশা প্রধানত সালাদ হিসেবে ব্যবহূত হয়। শসার মূল উপকরণগুলোর মধ্যে ৮৩ শতাংশ কার্বন, ৬ শতাংশ ফ্যাট আর ১১ শতাংশ প্রোটিন। তবে এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট আর কোলেস্টরলের পরিমাণ খুব কম বলে এটি প্রায় সব ধরনের মানুষের জন্যই দারুণ উপকারী। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, প্যান্টোথেনিক এসিড, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম ও আয়রনের মতো উপকারী খাদ্য উপাদান। পেট পরিষ্কার রাখতে এবং হজমের সুবিধার্থেও শসার জুড়ি মেলা ভার। এ ছাড়া কম কোলেস্টরল ও কম ফ্যাট-যুক্ত শসা থেকে বাড়তি ক্যালোরি পাওয়া যায় বলে যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য শসা সব সময়ই আদর্শ একটি খাদ্য হিসেবে বিবেচিত।