সিলেট-আখাউড়া রুটে চার স্টেশন বন্ধ

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:০২
বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট-আখাউড়া রেলপথে ৪টি স্টেশন স্থায়ীভাবে বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর যাবত্ স্টেশনসমূহ বন্ধ থাকায় পেপার লাইন ক্লিয়ার (পিএলসি) পদ্ধতিতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ট্রেন চলাচল করছে। বন্ধ হওয়া স্টেশনগুলোতে অবহেলায় পড়ে আছে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত ইন্টারলকিং যন্ত্রপাতি। স্টেশন মাস্টার স্বল্পতার অজুহাতে প্রায় ৩ বছর আগে টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ করে দেয় রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে এ রেলপথে ভাটেরা, লস্করপুর ও ইটাখোলা স্টেশন বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়াও কিছুদিন যাবত্ রাতের শিফট বন্ধ ছিল বরমচাল, সাতগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে। এরপর থেকে শমশেরনগর ও লংলা স্টেশন, মাইজগাঁও-কুলাউড়া স্টেশন ও রসিদপুর-শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সাথে আধুনিক সিগনাল ইন্টারলকিং বন্ধ হয়ে যায়। শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে প্রতিটি স্টেশনে আধুনিক সিগনাল ইন্টারলকিং স্থাপন করেছে। কিন্তু স্টেশন বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে কাগজে(পেপার) লাইন ক্লিয়ার লিখে ট্রেনের লাইন ক্লিয়ার দিতে হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে ফোনালাপের কোড নম্বর ভুল হয়ে গেলে একই লাইনে দু’টি ট্রেন প্রবেশ করে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সিলেট-আখাউড়া রেলপথে ৪টি স্টেশন বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে কুলাউড়াস্থ রেলওয়ে সিগনাল ও ট্রাফিক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, জনবল নিয়োগ দেয়া হলে এ অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব।