আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের বিরুদ্ধাচরণকারীরা এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা তদবিরকারীদের সাহায্যে বিদেশি গণমাধ্যম, ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করছে। সাক্ষী অপহরণের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ও ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যানের স্কাইপ সংলাপ বিকৃত করে প্রচার করে তারা ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিচার জনগণের দাবি। আর এই দাবি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। গতকাল সোমবার সচিবালয়স্থ কার্যালয়ে তুরস্কের সাবেক মিনিস্টার অব স্টেট লুত্ফু এসেনগুন এর নেতৃত্বে সফররত তুরস্কের বেসরকারি সংস্থা ক্যানসুয়ু এইড এন্ড সলিডারিটি এসোসিয়েশনের ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে আইনমন্ত্রী একথা বলেন। বাংলাদেশে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এম. ভাকুর আর্কুল এসময় উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হচ্ছে বলে অনেকে বিভ্রান্ত্রি ছড়াচ্ছে। রাজনৈতিক কারণে এ বিচার হচ্ছে না। মুক্তিযুদ্ধকালে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরকেই বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে। বিচারে অভিযুক্তরা রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে বলা যাবে না যে রাজনৈতিক কারণে এ বিচার হচ্ছে।
এক পর্যায়ে তিনি বলেন, বিচারের মান ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন অবকাশ নেই। দেশীয় আইনে, দেশীয় ট্রাইব্যুনালে, দেশের অভিজ্ঞ বিচারক ও আইনজীবীদের নিয়ে এ বিচার পরিচালিত হচ্ছে। বিচারের কোন পর্যায়ে বৈষম্য হচ্ছে না।
