আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি গণসংযোগের নামে আগামীকাল অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে সরকার আইনি ব্যবস্থা নিবে। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনে তিনি বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিএনপি অসাংবিধানিক ও অযৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছে। এ কারণে তাদের আন্দোলন কর্মসূচিতে জনসমর্থন থাকছে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল সোমবার স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতারা ঘন ঘন দূতাবাসে গিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ করছে। তবে বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে কোন লাভ হবে না। বিদেশি প্রভুরা ক্ষমতায় আনতে পারবে না। ক্ষমতায় আনার মালিক দেশের জনগণ। আগামী সংসদ নির্বাচন বিষয়ে হানিফ বলেন, নির্বাচন মূল লক্ষ্য হলে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংসদে-বাইরে আলোচনা হতে পারে। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার প্রস্তাব নিয়ে সংলাপ হতে পারে। তবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে সরকারও কঠোর পথ বেছে নিবে। আগামী নির্বাচন ২০১৪ সালে ১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ‘নিজের ঘরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করুন’—খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনীর সদস্য হলেই যুদ্ধাপরাধী হয় না। খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধের সংজ্ঞা জানেন না। যারা সরাসরি হত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাটের সাথে জড়িত তারা যুদ্ধাপরাধী। তাদেরই বিচার করা হচ্ছে।
সংগঠনের সভাপতি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির এমপি, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এমপি, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাব্লিউ প্রমুখ।
