শর্তসাপেক্ষে আর্লি ওয়ার্নিং থেকে মুক্তি পেল আল আরাফাহ্ ব্যাংক

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:০১
দীর্ঘ প্রায় সাত বছর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবিড় পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে (আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম বা ইডাব্লিউএস) থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছে আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক। গত রবিবার শর্ত সাপেক্ষে ব্যাংকটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ থেকে মুক্তি দেয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে কার্যক্রম শুরু করা আল আরাফাহ্ ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রমে অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক ২০০৫ সালে ব্যাংকটিকে ইডাব্লিউএসের অন্তর্ভুক্ত করে। এ পদ্ধতির আওতায় থাকা ব্যাংকগুলোর প্রতি ত্রৈমাসিকের আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিয়মিত পর্যালোচনা হয়। সম্প্রতি অক্টোবরভিত্তিক তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা হয়। ওই বৈঠকে ব্যাংকের বিভিন্ন সূচকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। আর্থিক সূচকগুলোর উন্নতি হওয়ায় ও ওই ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শর্ত সাপেক্ষে ব্যাংকটিকে ইডাব্লিউএস থেকে মুক্তি দেয়া হয়। ইডাব্লিউএস থেকে মুক্তি বিষয়ে আল আরাফাহ্্ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দেয়া চিঠিতে চারটি শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব শর্ত হলো, ব্যাসেল-থ্রি বাস্তবায়নে ক্যাপিটাল বাফার গড়ে তোলা, শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ কমানো, ক্যামেল রেটিং এর সবগুলো সূচকের উন্নতি করা এবং কোর রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বাস্তবায়নের জন্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে সন্তোষজনক মাত্রায় উন্নতি করতে হবে। প্রসঙ্গত, কোনো ব্যাংকের সামগ্রিক অবস্থা খারাপের দিকে গেলে সেটিকে আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি হলো প্রবলেম ব্যাংকে পরিণত হওয়ার আগের পর্যায়। কেন্দ ীয় ব্যাংক ওই সময় থেকে ব্যাংকটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে একজন পর্যবেক্ষকও নিয়োগ করে। এ নিয়ম অনুসারে ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদের এক কর্মকর্তা পর্যবেক্ষক হিসেবে আল আরাফাহ্র কার্যক্রম দেখভাল করে আসছিলেন।