গণভোটে কারচুপির অভিযোগ তদন্ত করছেন বিচারকরা

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪৮
গণভোটে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করে দেখছেন মিসরের বিচারকরা। প্রাথমিক অনানুষ্ঠানিক ফল অনুযায়ী, দেশটিতে বিতর্কিত নতুন খসড়া সংবিধান গৃহীত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মুরসির মুসলিম ব্রাদারাহুড ৬৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে। সংবিধান বিরোধীদের হিসাবেও এ সংখ্যা ঠিক আছে। কিন্তু তাদের অভিযোগ হচ্ছে, উভয় দফার ভোট ব্যালটেই জালিয়াতি হয়েছে। আর তাই ভোটে অনিয়ম ও কারচুপি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে তারা। ‘জালিয়াতি এবং অনিয়মে’ ভোট পণ্ড হয়েছে উল্লেখ করে রবিবার নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানায় প্রধান বিরোধী জোট ‘দ্য ন্যাশনাল স্যালভেশন ফ্রন্ট’। বহু জায়গাতেই ভোটকেন্দ্র দেরিতে খোলা হয়েছে এবং ইসলামপন্থিদের প্রচারে ভোটারদের প্ররোচিত করার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। এছাড়া, ভোট প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট আইনি তদারকি ছিল না এবং অনেক বিচারক এ ভোট বয়কট করেছে বলেও অভিযোগ করে তারা। প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির মতে, নতুন খসড়া সংবিধান গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করবে। অন্যদিকে, বিরোধীরা বলছে, সংবিধানটি ইসলামপন্থি এবং গণভোট দেশে বিভক্তিকে আরো তীব্র করেছে। মুরসির মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক সংগঠন ‘ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস’ পার্টি জানিয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেশে বিভেদ দূর করাসহ স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। কিন্তু এ খসড়া সংবিধান স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষায় সহায়ক নয় বলে অভিযোগ করছে বিরোধীরা। সংবিধানটি পাস হয়ে গেলে তিন মাসের মধ্যে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তখন আইন পরিষদের ক্ষমতা মুরসির হাতেই থাকবে।