বগুড়া ভায়া দুপচাঁচিয়া-মোলামগাড়ী সড়কটি এলজিইডি ও দুপচাঁচিয়া পৌরসভার রশি টানাটানিতে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্নস্থানে পিচসহ কার্পেটিংয়ের পাথর ও খোয়া উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এতে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন ও এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে জয়পুরহাট জেলার বগুড়া ভায়া দুপচাঁচিয়া-মোলামগাড়ী চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বগুড়া থেকে বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, মাইক্রোসহ বিভিন্ন যানবাহন মোলামগাড়ী হয়ে জয়পুরহাট জেলা সদরসহ স্থলবন্দর হিলিতে যাতায়াত করে। এছাড়াও এই সড়কের পাশেই কয়েকটি কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উপজেলার তথা উত্তরাঞ্চলের বৃহত্ ধাপসুলতানগঞ্জ হাট অবস্থিত। প্রতি বৃহস্পতিবার উপজেলা সদরের এই হাট থেকে গরু বোঝাই ট্রাকসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করে। এছাড়াও এই সড়ক দুপচাঁচিয়া উপজেলার চামরুল, জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলালের আলমপুর ইউনিয়নের লোকজনের উপজেলা সদরের যাতায়াতের একমাত্র পথ। সড়কটির দুপচাঁচিয়া মেইন বাসস্ট্যান্ড থেকে ধাপহাট পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়ক ৪/৫ বছর যাবত্ সংস্কার করা হয়নি। সংস্কারবিহীন এই সড়কের বিভিন্নস্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফ আলী খান জানান, ওই ৩ কিলোমিটার পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এলজিইডির পক্ষ থেকে তা সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। এব্যাপরে পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুপচাঁচিয়া মোলামগাড়ী সড়কটি এলজিইডির।
