মুগদা-বাসাবো সড়কে বিআরটিসি দোতলা বাস চাই

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৩১
ঢাকা শহরের প্রায় ২০ শতাংশ অর্থাত্ প্রায় বিশ লাখ লোকের বাস মুগদা, মান্ডা, বৌদ্ধমন্দির, মায়াকানন, কদমতলা ও বাসাবো এলাকায়। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা কোম্পানিসমূহের হেড অফিস মতিঝিল-দিলকুশা এলাকায় হওয়ার কারণে মূলত এ এলাকার লোকসংখ্যা অনেক বেশি। তদুপরি তিনটি স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল বাস টার্মিনাল, ঢাকা শহরের খ্যাতনামা কয়েকটি স্কুল-কলেজ এ এলাকায় অবস্থিত। অথচ দুঃখের বিষয় বাসাবো-মুগদা হয়ে মতিঝিল, গুলিস্তান, প্রেসক্লাব, কোর্টকাচারি, সচিবালয় যাওয়ার কোনো যানবাহন নেই। মুগদা বিশ্বরোড থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত লক্কর ঝক্কর মার্কা ম্যাক্সি চলাচল করে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল এবং ভাড়া অত্যধিক। এসব ম্যাক্সির কোনো রোড পারমিট ফিটনেস ইন্সুরেন্স নেই। আবার অদক্ষ কিশোররা চালায় বলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়। মুগদা থানা প্রতিষ্ঠার পর (গত জুন মাস) থেকে ম্যাক্সিগুলো বিশ্বরোডের পর বাসার টাওয়ার পর্যন্ত আর যেতে দেওয়া হয় না। সকালে অফিস সময় দুয়েকটা বিআরটিসি বাস দেখা যায়, যা শুধুমাত্র মহিলা ও ছাত্রীদের জন্য। এগুলোও প্রয়োজনের তুলনায় কম। খিলগাঁও তালতলা থেকে মিডওয়ে ও বাহন নামে দুটি বাস চলাচল করে, যার অবস্থা অত্যন্ত জীর্ণশীর্ণ এবং সিটগুলো ভাঙ্গাচোরা। এগুলোতে অফিস সময়ে মহিলাদেরকে পর্যন্ত বাদুড় ঝোলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। জানা যায়, সরকার ভারত থেকে ঋণ হিসেবে ২৭০টি দোতলা বাস আমদানি করেছে। এসব দোতলা বাসে সিটসংখ্যা অত্যধিক এবং হ্যান্ডেলগুলো মজবুত। গাড়ীগুলো টেকসই। দৃষ্টিনন্দন এবং যানজট নিরসনে সহায়কও বটে। বিআরটিসি দোতলা বাসগুলো প্রায়ই মিরপুর, গাবতলী ও এয়ারপোর্ট রোডে চলাচল করে। তাই গুলিস্তান পল্টন মত্স্যভবন পর্যন্ত সিগনালে ৫/৭টি দোতলা বিআরটিসি বাস একসঙ্গে দেখা যায়। এ অবস্থায় আমাদের মুগদা, মান্ডা, বাসাবো, কদমতলা, বৌদ্ধমন্দির এ সমস্ত এলাকার সংখ্যাধিক্যের কথা বিবেচনা করে কয়েকটি বিআরটিসি দোতলা বাস খিলগাঁও তালতলা থেকে বাসাবো, মুগদা, মতিঝিল, গুলিস্তান হয়ে ঝিগাতলা পর্যন্ত চলাচল করলে জনগণের উপকার হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মো. কামরুজ্জামান, ১১ দক্ষিণ মুগদাপাড়া, ৭ নম্বর গলি, বড় মসজিদ, সবুজবাগ, ঢাকা।