ব্রাক্ষনবাড়ীয়া জেলা নবীনগর উপজেলার কুড়ীনাল গ্রামে যাওয়ার একমাত্র সড়ক শ্যামগ্রামের বাজার হইতে পশ্চিম দিকের সড়কটি । এই সড়কের পূর্ব পাশে সলিমগঞ্জ সড়কের মাঝখানে প্রায় দুইশত হেক্টর জমি কৃষকের জীবন জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। এই কুড়ীনালের সড়কের মাঝখানে একটি ব্রীজ। এই ব্রীজটি দিয়ে পুরো এলাকার বর্ষার বৃষ্টির পানি বড় নদীতে যায়। পানি নিস্কাষনের এই পথে বাধঁ সৃষ্টি হওয়ায় বিগত কয়েক বত্সর যাবত ওই দুইশ হেক্টর জমিতে জলাবদ্ধতা সুষ্টি হয় । ফলে গ্রামের কৃষকরা জমির ফসল তুলতে পারছে না । ব্যাক্তিস্বার্থে গ্রামের প্রভাবশালীরা ওই সড়ক থেকে তাদের বাড়ি পযর্ন্ত রাস্তা নির্মাণ করে বাধঁ সৃষ্টি করেন।
এখন শীতের এই শুকনো মৌসুমেও জমিগুলিতে ফসল তো দুরের কথা জমির উপর দিয়ে দিন রাত্র নৌকা চলাচল করছে। পায়ে হাঁটার মত কোনো রাস্তা নেই । কৃষক ফজলু মিয়া, নাছের মিয়া, আমির হোসেন, ছমির উদ্দিন সহ গ্রামবাসী বলেন “আমাদের জমির কোনো দাম নেই, জমি আছে পানির নিচে কোনো ফসল করতে পারি না, কারন বড় সড়ক হতে মাতুমিয়ার বাড়ি পর্যন্ত যে সড়কটি তার নিচ দিয়ে পানি যাওয়ার মত কালভার্ট বা পাইপ রাখা হয়, যার কারনে বর্ষার পানি বেহির হতে পারে না। কুড়ীনালের সাধারন মানুষের দাবী এই জমির উপর হতে পানি সরানোর জন্য মাতুমিয়ার বাড়ির সড়কটির নিচদিয়ে দ্রুত পানি সরানোর ব্যাবস্থাসহ আংশিক সড়কটির সম্পর্ন্ন করে সাধারন মানুষের চলাচলের উপযোগী করা ।
