পাঁচ জেলায় ১৭৮ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য আটক

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৪৩
দেশের পশ্চিমের যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ( বিজিবি ) এ বছর জানুয়ারি থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় একশ’ ৭৮ কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানের পণ্য আটক করেছে। সবচেয়ে বেশি পণ্য আটক করেছে বিজিবি’র যশোরের ২৬ ব্যাটালিয়ন। সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, বর্তমানে ভারত থেকে বেশি পরিমাণে মশলা জাতীয় পণ্য, গরু, ইমিটেশন ও কাপড় চোপড় বাংলাদেশে চোরাচালান হয়ে আসছে। সামপ্রতিক কালে জিরা চোরাচালান বেড়েছে। কয়েকশ’ মহিলা জিরা চোরাচালানের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। গত সোমবার যশোর-কুষ্টিয়া রুটে চলাচলকারি একটি বাসে আলাপ হয় কুমারখালীর চড়াইকোল এলাকার এক মহিলার সাথে। ওই মহিলা জানান, সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের এক চোরাচালানীর কাছ থেকে প্রতি কেজি জিরা আড়াইশ’ টাকা দরে কিনে কুষ্টিয়া নিয়ে বিক্রি করেন ২শ’ ৭৫ টাকা দরে। কলারোয়া থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত পৌঁছাতে তাকে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও বিজিবি’র কথিত আদায়কারিকে টাকা দিতে হয়। বিজিবি’র এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে জব্দকৃত ভারতীয় চোরাচালানের পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জিরা ধরা পড়ছে। পশ্চিম সীমান্ত পথে ফেনসিডিল চোরাচালান থামছে না। প্রতি মাসে বিজিবি ও পুলিশের হাতে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল আটক হচ্ছে। যে পরিমাণ ফেনসিডিল আটক হয় তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ এ মাদক নেশাখোরদের কাছে পৌঁছে যায়। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ফেনসিডিল বিকিকিনির কেন্দ্রস্থল। পণ্য ছাড়াও ভারত থেকে ছোট অস্ত্র চোরাচালান হয়ে আসে।