কচুয়া-কালিয়াপাড়া ১৩ কিলোমিটার ব্যস্ততম সড়কের লুন্তি খন্দকার বাড়ি সংলগ্নের ব্রিজের বড় ফোকর সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন উক্ত সড়ক অংশে ১৯৬৫ সালে নির্মিত হয় ১৩টি ব্রিজ। প্রায় অর্ধ শতাব্দী পূর্বে নির্মিত এ ১৩টি ব্রিজের প্রায় সবক’টিই কম-বেশি জরাজীর্ণ অবস্থা। তন্মধ্যে ৬টি ব্রিজের অবস্থা খুবই নাজুক। এ ৬টি নাজুক ব্রিজের মধ্যে গত অর্থ বছরে মনোহরপুর গ্রামের দক্ষিণ ও উত্তর অংশের ২টি এবং আকিয়ারা গ্রাম অংশের ১টি ব্রিজ পুন. নির্মিত হয়। বাকি নাজুক অবস্থা সৃষ্টি হওয়া ৩টি ব্রিজ পুন. নির্মাণে কোন উদ্যোগ নেই। এ ৩টি ব্রিজের কোনটিতে সাইড ওয়ালের ফাটল সৃষ্টি ও রেলিং বিনষ্ট, আবার কোনটিতে ব্রিজের ফাটল ও ফোকর সৃষ্টি হয়। উক্ত ৩টি ব্রিজের মধ্যে লুন্তি খন্দকার বাড়ি সংলগ্নে ব্রিজের সৃষ্টি হওয়া ফোকরটির পরিধি দিনের পর দিন বেড়েই চলছে। গত ১ সপ্তাহে রাতের অন্ধকারে চলাচল করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি সিএনজি ও রিক্সা এ ব্রিজের ফোকরে পড়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে অন্তত ১০/১২ জন আহত হয়। উল্লেখিত ব্রিজের বর্তমানে সৃষ্টি হওয়া ফোকরটির ৫ ফুট পশ্চিম পাশে ৩/৪ বছর পূর্বে আরো ১টি বড় ফোকর সৃষ্টি হয়। ওই ফোকরটির উপর স্টিলের পাত বসিয়ে দেয়া হয়েছে। জরাজীর্ণ ব্রিজের উপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে কচুয়া-কালিয়াপাড়া সড়কে বাস, ট্রাক ও তৈলবাহী ট্রাক ইত্যাদি ভারী যানবাহন চলাচল করছে।
