বনানী উড়ালসেতু উদ্বোধন আজ

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫৬
রাজধানীর বনানী উড়াল সেতু উদ্বোধন হবে আজ। ঢাকার যানজট নিরসনে বর্তমান সরকারের নেয়া এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়। এটি চালু হলে বনানী রেলক্রসিংয়ে ট্রেন চলাচলের কারণে যানবাহনের আর অপেক্ষা করতে হবে না। ফলে জনদুর্ভোগ অনেক কমে যাবে; বাঁচবে সময়। এই ক্রসিংয়ে প্রতিদিন গড়ে ৭২টির বেশি ট্রেন চলাচল করে। ফলে একদিকে গুলশান-জাহাঙ্গীর গেট-প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অন্যদিকে বনানী-বিমানবন্দর পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই উড়াল সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। ৮০৪ মিটার দীর্ঘ উড়াল সেতু নির্মিত হয়েছে বনানী রেলক্রসিংয়ের ওপর। এতে ব্যয় হয়েছে ১০৩ কোটি টাকা। আর সংযোগ সড়কটি হচ্ছে বনানী উড়াল সেতু ও মিরপুর উড়াল সড়কের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য। এতে ব্যয় হয় ৩০ কোটি টাকা। বনানী উড়াল সেতু নির্মাণে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া হয় ২০১০ সালের মার্চে। কাজ শুরু হয় ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি। প্রকল্প নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৩ সালের জুনে। তবে ছয় মাস আগেই নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হলেও এটি এখনই ব্যবহার করা যাবে না। কারণ, মিরপুরের মাটিকাটা থেকে জিয়া কলোনি পর্যন্ত আরেকটি উড়াল সড়কের কাজ চলছে। সেটি আগামী মার্চে শেষ হতে পারে। এটি চালু হলে বিমানবন্দর সড়কের সঙ্গে মিরপুরের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ছয় লেনের বনানী উড়াল সড়কটি প্রস্থে ২২ দশমিক ৫২ মিটার। আর্মি স্টেডিয়ামের কাছ থেকে উড়াল সড়কের শুরু। বনানী-বিমানবন্দর সড়কের ওপর দিয়ে রেল লাইন পার হয়ে সেটি শেষ হয়েছে নৌবাহিনীর অফিসার্স মেসের কাছে গিয়ে। এদিকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বনানী ওভারপাস উদ্বোধন উপলক্ষে আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে সকাল ১১টা ৫ মিনিট পর্যন্ত এয়ারপোর্ট সড়কের রেডিসন হোটেল গেট থেকে বনানীস্থ নৌ-বাহিনী সদরদপ্তর গেট পর্যন্ত সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এই সড়ক ব্যবহারকারীদের এ সময় বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।