বাবা :কী ব্যাপার তোমার ক্লাসওয়ার্কের খাতা সাদা কেন? কিছু লিখনি?
ছেলে :লিখেছিলাম। কিন্তু টিচার তো যা লিখেছিলেন তা আবার বোর্ড থেকে মুছে ফেলেছেন তাই আমিও ইরেজার দিয়ে আমার খাতার লেখাগুলো মুছে ফেলেছি!
সান্তার পাশে বসে পরীক্ষা দিতে বসা এক ছাত্র সান্তার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললো ‘তুমি আমাকে শুধু এই ১ এর ক প্রশ্নটার শুরুটা বলে দাও। বাকিটা আমি বানিয়ে লিখে ফেলব।’
সান্তা বলল ‘সবার উপরে লেখো এক এর ক নং প্রশ্নের উত্তর। তারপর বাকিটা তুমি বানাতেই পারবে!’
বাবা :তুমি অংকে ফেল করলে কেন?
ছেলে :ফেল করব না! প্রথম দিন টিচার শেখালেন পাঁচ এর সাথে তিন যোগ করলে আট হয়। এর পরে আবার একদিন ক্লাসে শেখালেন ছয় এর সাথে দুই যোগ করলে আট হয়। আর কিছুদিন আগে দেখলাম উনি বোর্ডে লিখছেন চার যোগ চার সমান সমান আট। যেখানে টিচার নিজেই এতো কনফিউজড্ সেখানে আমি কীভাবে পাশ করব, বাবা!
সান্তা তার ছেলের ছয় মাস বয়সেই বার্থ ডে আয়োজন করায় অনেকেই তার কাছে জানতে চাইল যে কেন ছয় মাস বার্থ ডে’র অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। উত্তরে সান্তা জানাল, ‘আমি আসলে ইয়ার না, সেমিস্টার সিস্টেমে বিশ্বাস করি!’
