শৈলকূপা অফিসে গরহাজির

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:২১
ঝিনাইদহ জেলার উপজেলা পর্যায়ের অফিসে সময়মত হাজির হন না অধিকাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারী। কর্মকর্তাদের কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক হলেও অনেক কর্মকর্তা থাকেন জেলা শহরে। সকাল ৯টায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিত হওয়ার সরকারি আদেশ রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন অফিস সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, বেশিরভাগ অফিসে সকাল সাড়ে ৯ পর্যন্ত তালা ঝুলছে। হাতে গোনা দু’একটি অফিসে পিয়ন তালা খুলেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তখনও আসেননি। মাঠপর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অফিস কৃষি অফিস। সেখানে সকাল পৌনে ১০টা পর্যন্ত তালা ঝুলতে দেখা যায়। একজন জানান, উপজেলা কৃষি অফিসার ঢাকায় প্রশিক্ষণে গেছেন। অন্যরা কেউ আসেননি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা কৃষি অফিসার সরকারি আইন ভঙ্গ করে ঝিনাইদহ শহরে অবস্থান করেন। মত্স্য, সমবায়, খাদ্য, পরিসংখ্যান, প্রকল্প বাস্তবায়ন, মহিলাবিষয়ক, প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা ও যুব উন্নয়ন অফিসার পৌনে ১০টা পর্যন্তও অফিসে আসেননি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তর ও উপজেলা প্রকৌশলী অফিস খোলা দেখা যায়। ৫টা পর্যন্ত অফিস খোলা থাকার কথা। কিন্তু অনেক অফিসার ৫টা বাজার আগেই অফিস ছেড়ে চলে যান। যে সকল অফিসারের ফিল্ড ওয়ার্ক আছে তাদের অফিসের পিয়নের গত্ বাঁধা ডায়লগ- ’স্যার ফিল্ডে আছেন’। উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সময় মত অফিসে হাজির ও প্রস্থান তদারক করা হয় না। এব্যাপারে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক খাজা আব্দুল হান্নানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।