সবার সেরা বরিশাল

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৩
জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ফলাফলের দিক থেকে এ বছর সারা দেশের মধ্যে বরিশাল প্রথম হয়েছে। এ বোর্ডে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৮২ ভাগ। এ বোর্ডের অধীন ৮৫ হাজার ৪২৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮২ হাজার ১৮২ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপি-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১৭২ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ শিক্ষা বোর্ডের অধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একযোগে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ৫টি মানদন্ডে সেরা ২০ স্কুল :পয়েন্টের ভিত্তিতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন সেরা ২০টি স্কুলের তালিকার শীর্ষে রয়েছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ। এ স্কুলের ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৫ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন। ৮৮ দশমিক ৭৮২ পয়েন্ট পেয়েছে ক্যাডেট কলেজ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নগরীর সদর গার্লস স্কুল। এ স্কুলে ২৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৯৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১৫ জন। পয়েন্ট ৮৬ দশমিক ০৭৭। তৃতীয় স্থানে রয়েছে বরিশাল জিলা স্কুল। ২৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫২ জন। পয়েন্ট ৮০ দশমিক ৫৬৮। বরগুনার তাছলিমা মেমোরিয়েল একাডেমী থেকে ৭০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫ জন। পয়েন্ট ৭৪ দশমিক ৯৯১। পটুয়াখালী সরকারি হাই স্কুল থেকে ২৫৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৫৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯০ জন। পয়েন্ট ৭৪ দশমিক ২৮৮। পটুয়াখালী জুবলি হাইস্কুল থেকে ২২৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ২২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৩ জন। পয়েন্ট ৭২ দশমিক ৭৭৫। গলাচিপা গার্লস স্কুল থেকে ৬৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। পয়েন্ট ৬৮ দশমিক ৯৪১। ঝালকাঠী হারচন্দ্র সরকারি গার্লস স্কুল থেকে ১৫২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৫২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪ জন। পয়েন্ট ৬৮ দশমিক ১৬৩। বরিশাল মহেষপুর স্কুল থেকে ৯৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৯৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন। পয়েন্ট ৬৭ দশমিক ৯৭৩। বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ১৩৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৩৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ জন। পয়েন্ট ৬৭ দশমিক ৮২৯। লালমোহন হা-মিম একাডেমী থেকে ৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলে পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন। পয়েন্ট ৬৭ দশমিক ৫৬০। ভোলা সরকারি স্কুল থেকে ১৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১ জন। পয়েন্ট ৬৭ দশমিক ৩৩৯। বরিশাল বি. কে স্কুল থেকে ১১৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ১১৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। পয়েন্ট ৬৬ দশমিক ৫৭৫। বরিশাল উদয়ন স্কুল থেকে ২১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯ জন। পয়েন্ট ৬৬ দশমিক ৫৫১। বরিশাল হারতা স্কুল থেকে ১১২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। পয়েন্ট ৬৬ দশমিক ৪৭৭। শেরেবাংলা গার্লস স্কুলে ১২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ জন। পয়েন্ট ৬৬ দশমিক ১৬৬। সামাদিয়া দারুল উলুম স্কুল থেকে ৯২ জন পরীক্ষার্থীর সকলেই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। পয়েন্ট ৬৬ দশমিক ১৩০। ধামুরা স্কুল থেকে ১৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন। পয়েন্ট ৬৬ দশমিক ০৫৮। ভোলা সরকারি গার্লস স্কুল থেকে ১৫৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৫২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন। পয়েন্ট ৬৬ দশমিক ০৪৩। বাবুগঞ্জ পাইলট বিদ্যালয়ের ১৩০ জনের মধ্যে পাস করেছে ১২৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ জন। পয়েন্ট ৬৫ দশমিক ৭১৯। জেলা পর্যায়ে পাসের হারে প্রথম বরিশাল :বরিশাল জেলার ৪৩০টি স্কুলের ২৮ হাজার ৪২৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৬ হাজার ৬৮৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪৪৮ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ২৪। ২য় স্থানে রয়েছে পটুয়াখালী জেলা। সেখানকার ২৮৮টি স্কুলের ১৪ হাজার ২৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে ১৩ হাজার ৪২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১৪ জন। ভোলায় ২৫৫টি স্কুলের ১২ হাজার ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১০ হাজার ৮২৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৯৫ জন। বরগুনায় ১৭৩টি স্কুলের ৯ হাজার ১৮৫ জনের মধ্যে পাস করেছে ৮ হাজার ২৪৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১৯ জন। পিরোজপুরের ২৭৬টি স্কুলের ১২ হাজার ৫৮২ জনের মধ্যে পাস করেছে ১১ হাজার ২৩৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০৮ জন। পাসের হার ৯২ দশমিক ৫৩ ভাগ এবং ঝালকাঠীর ১৯৪টি স্কুলের ৮ হাজার ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৭ হাজার ৭০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৮ জন। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৭০ ভাগ।