সেরা ২০ স্কুলের ১৪টি ঢাকায়

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৬
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষায় এ বছর দেশের সেরা ২০ স্কুলের মধ্যে ১৪টিই ঢাকায়। বাকি ছয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি চট্টগ্রামের। সেরার তালিকায় গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, প্রথমেই রয়েছে রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে এবার দুই হাজার ৮৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। উত্তীর্ণের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক হাজার ৫৬৩ জন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল। এ বিদ্যালয় থেকে এক হাজার ৬৮ জনের মধ্যে ৮৮০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। উত্তীর্ণের হার শতভাগ। শতভাগ উত্তীর্ণের হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ। এ শিক্ষায়তন থেকে ৮৩৫ শিক্ষার্থীর ৭৯০ ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুলের ৮৩৫ শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে। চতুর্থ স্থান পাওয়া এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫১ জন। শতভাগ উত্তীর্ণের হার নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের ৭২৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৬৫ জন। ৬২৯ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ প্রাপ্তি নিয়ে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে ডেমরার গ্রীন গার্ডেন স্কুল। এ বিদ্যালয়ের ৭৫৩ শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। শতভাগ উত্তীর্ণের হার নিয়ে কুমিল্লা সদরের কুমিল্লা মডার্ন স্কুল সপ্তম স্থান অর্জন করেছে। এ বিদ্যালয়ের ৮২৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৫০৬ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ প্রাপ্তি নিয়ে অষ্টম স্থান অধিকার করেছে মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী। এ বিদ্যালয়ের ৬২৭ শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। শতভাগ উত্তীর্ণের হার নিয়ে ঢাকার গুলশানের আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ নবম স্থান অর্জন করেছে। এ বিদ্যালয়ের ৫৬৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫২১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৩৬৮ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ প্রাপ্তি নিয়ে দশম স্থান অধিকার করেছে রাজধানী ডেমরার এ কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের ৮৪১ শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। মিরপুর বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় ১১তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৮৭৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৩৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৮। শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল ও কলেজ ১২তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৪৫৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। রংপুরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৪১৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৬৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। ঢাকার বনানী বিদ্যা নিকেতন ১৪তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৫৪০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। খুলনার সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ১৫তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৩৭৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। উত্তরা হাই স্কুল ও কলেজ ১৬তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৪৬৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৯২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। চট্টগ্রামের বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৭তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৩৯৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। চট্টগ্রাম বন্দরের বিএন স্কুল ও কলেজ প্রাবি ১৮তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৬২২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৪। চট্টগ্রাম কোতোয়ালীর ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯তম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের ৩২৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ। ঢাকার বি এ এফ শাহীন কলেজ সেরার তালিকায় ২০তম অবস্থান অর্জন করেছে। এ শিক্ষায়তনের ৩৭৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৯৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭৩। এ বছর ডিআরভুক্ত ছাত্র-ছাত্রী, জিপিএ-৫, পাসের হার ও অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের হারের ভিত্তিতে এ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের তালিকা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।