বরিশালে দরপত্র ছিনতাই মেডিক্যাল কলেজে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার অভিযোগ

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৮
বরিশালে বিআইডব্লিউটিএ’র সাড়ে তিন কোটি টাকার দরপত্র জমাদানকালে গতকাল বৃহস্পতিবার ঠিকাদারকে মারধর করে দরপত্র ছিনিয়ে নেয়া এবং একই দিন শের-ই বাংলা চিকিত্সা মহাবিদ্যালয়ে দরপত্র জমা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় আহত ঠিকাদার সাকিল হোসেন পলাশ জানান—গতকাল বেলা ১১টার দিকে তিনি বিআইডব্লিউটিএ’র টেক ইঞ্জিন পাইলট ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ কাজের দরপত্র জমা দিতে যান। নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে প্রবেশের সময় ছাত্রলীগ কর্মী রেজভী, তমাল, দোলন ও হাবিব জোরপূর্বক তাকে টেনে-হেঁচড়ে প্রকৌশলীর কার্যালয়ের বাইরে নিয়ে যান। এরপর তাকে মারধর করে পে-অর্ডারসহ দরপত্র ছিনতাই করে নিয়ে যান। হামলাকারীরা বিএম কলেজের ভিপি মঈন তুষারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তুষারের নির্দেশেই তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঠিকাদার পলাশ নির্বাহী প্রকৌশলীর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। নির্বাহী প্রকৌশলী এ জেড এম শাহ নেওয়াজ কবির লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘দরপত্র মূল্যায়নের সময় বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এ দিকে একই দিন শের-ই বাংলা চিকিত্সা মহাবিদ্যালয়ে পুরানো মালামাল নিলামে বিক্রির দরপত্র জমা নিয়ে ঠিকাদারদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শের-ই বাংলা চিকিত্সা মহাবিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়—তাদের পুরানো যন্ত্রপাতি বিক্রির জন্য ৩০টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্র ক্রয় করে। গতকাল দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন প্রায় ১৬টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শেষ পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি দরপত্র জমা হয়। ওই দরপত্রগুলোর চারটিই স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদারদের। গতকালের ঘটনার পর ক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা পুনরায় দরপত্র আহ্বানের দাবি জানিয়েছে কলেজ অধ্যক্ষের কাছে। এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ ডা.শহিদুল আলম জানান—কলেজ ক্যাম্পাসে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও পুলিশ তা সামাল দিতে সক্ষম হয়েছে। তাই পুনরায় দরপত্র আহ্বানের সুযোগ নেই।