জনগণ নয়, বিষধর সাপই খালেদা জিয়ার পছন্দ

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:২৮
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছি, কিন্তু খালেদা জিয়ার এটা পছন্দ হচ্ছে না। বিষধর সাপ নাকি তার খুবই প্রিয়। যে ÔসাপÕ একাত্তরে এদেশের মানুষদের হত্যা, নির্যাতন করেছে সেই বিষধর সাপের ঝাঁপিই তিনি মাথায় নিয়ে চলছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির মুলতবি সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতে ক্ষমতায় আসিনি gš—e¨ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দুর্নীতিকে মোটেই প্রশ্রয় দিচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বাধীনভাবে কাজ করছে। দুদক মন্ত্রী-উপদেষ্টা যাকে খুশি ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে। আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছি বলেই স্বচ্ছ ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে দুদক। অথচ অতীতে কোন সরকারের সময় জিজ্ঞাসাবাদ তো দূরের কথা, মন্ত্রীদের ডাকার সাহস পর্যন্ত পায়নি দুদক। তিনি বলেন, বর্তমানে নির্বাচন কমিশনও (ইসি) স্বাধীন হয়েছে। আর্থিকভাবেও ইসিকে এখন পুরোপুরি স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসই আওয়ামী লীগের সম্বল। বন্দুকের নল কিংবা কারো কাঁধে ভর করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যায়নি, ভবিষ্যতেও যাবে না। জনগণের প্রয়োজনে আওয়ামী লীগ নীতি গ্রহণ করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শনিবার কাউন্সিলে আমরা কি কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতে কি করবো তার দিকনির্দেশনা থাকবে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আগে নির্বাচন মানে ছিল জুলুম ও নির্যাতন। এখন আর সে অবস্থা নেই। বর্তমান সরকারের সময় অনুষ্ঠিত প্রায় সাড়ে ৬ হাজারের মতো নির্বাচনের সবগুলোই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। একটা নির্বাচন নিয়েও কোন ধরনের ভোট কারচুপির ঘটনা ঘটেনি। ভোটের অধিকার সুরক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বলেন, আমরা তথ্য কমিশন গঠন করেছি। এখন যে কেউ তথ্য চাইতে এবং পেতে পারে। অথচ আগে সব †‡Î Ôঢাক ঢাকÕ ভাব ছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরশাদ ও খালেদা জিয়া সরকারের দুর্বলতা ছিল বলেই বেসরকারি খাতে টেলিভিশন ও রেডিও দেয়নি। বর্তমান সরকার অনেকগুলো টেলিভিশন ও রেডিও বেসরকারি খাতে দিয়েছে। কিন্তু তারপরেও আমাদের প্রতি মিডিয়ার কিছু কার্পণ্য পরিলক্ষিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বনানী উড়ালসড়ক উন্মুক্ত করে দিয়েছি-যা দেশের জন্য মাইলফলক। অনেক লোক তা দেখতেও গেছে। ভেবে ছিলাম টিভি চ্যানেলগুলো এটা ফলাও করে প্রচার করবে কিন্তু এখানে কার্পণ্য দেখতে পেলাম। বৈঠকে দলের জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি এবং গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্রের সংশোধন নিয়ে আলোচনা হয়। কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য এসময় উপস্থিত ছিলেন।