পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি যাদুঘর

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৩৭
প্রতিষ্ঠার প্রায় ৫ বছরেও পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমানের গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘর। পাঠাগারে কিছু বই থাকলেও যাদুঘরে বীরশ্রেষ্ঠের কোন স্মৃতিচিহ্ন নেই। ফলে পর্যায়ক্রমেই এ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দর্শনার্থীরা। রায়পুরা উপজেলার সাবেক রামনগর গ্রামে কেটেছে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ছেলেবেলা। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রামের নাম দিয়েছে মতিউর নগর। তার নামেই গড়ে তোলা হয়েছে গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘর। ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় এ যাদুঘর। এর পর অদাবধি এদিকে কোন নজর পড়েনি সরকারের। তত্ত্বাবধায়ক এনামুল হক ও গ্রন্থাগার আকলিমা আক্তার জানান, গ্রন্থাগার ও যাদুঘর প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখানে দৈনিক গড়ে ৫ থেকে ৭ জন দর্শনার্থী আসেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হোসেন ভুঁইয়া জানান, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই যা কিছু হয়েছে। ওই সময় স্মৃতি যাদুঘরের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীরশ্রেষ্ঠদের অবদান সম্পর্কে জানানোর যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল তার ধারাবাহিকতা নেই। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট করাচির মাশরুর বিমান ঘাঁটি থেকে একটি বিমান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ভারতে যাওয়ার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হলে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।