আগামী জাতীয় নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই হবে—এমন আভাস দিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে সবকয়টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে। তাহলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে না কেন?’ তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গতকাল শনিবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন উত্থাপনকালে সৈয়দ আশরাফ এসব কথা বলেন।
আশরাফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের চার বছর পার হয়েছে। আমাদেরকে আরো এক বছর সরকার পরিচালনা করতে হবে। আমরা ধীরে ধীরে দলের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করছি। আগামী এক বছরের মধ্যে ইশতেহারের বাকি ওয়াদাগুলো পূরণ করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণকে ধোঁকা দেয় না। আওয়ামী লীগ যে কথা দেয় সে কথা রক্ষা করার চেষ্টা করে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার যে অঙ্গীকার আমরা করেছিলাম সেটি বাস্তবায়ন করবো। বিশ্বের কোন শক্তি এ বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।’
আগামী নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে সৈয়দ আশরাফ বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো নির্বাচনে কারচুপি করে না। ভোট ডাকাতি করে না। যে দলটি জনগণের অধিকারের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছে সে দল জনগণের কথার বাইরে যেতে পারে না। সংবিধান অনুযায়ী আগামীতে যে নির্বাচন হবে তা দেশের জনগণ এবং বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে দলকে শক্তিশালী করতে হবে। এজন্য সম্মেলনের বিকল্প নেই। তিনি আগামী দুই মাসের মধ্যে সকল সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন শেষ করার জন্য দলের নেতাকর্মীদের আহবান জানান।
সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদনে সৈয়দ আশরাফ বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলার সম্মেলনের চিত্র তুলে ধরেন। এতে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে মাত্র আটটি সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
