ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মেগচামী ও গাজনা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চন্দনা নদীর উপর গেঞ্জির মিলঘাট নামক স্থানে বেশ কয়েকটি গ্রামের জনগণ বছরের পর বছর ধরে সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে। তারা দীর্ঘ ৪০ বছর একটি ব্রিজের অপেক্ষায়। একটি ব্রিজের অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে প্রায় ১০ হাজার লোক। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সরকারই কথা রাখেনি। প্রতিদিন এলাকার ৭/৮ গ্রামের শত শত স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ী, কৃষক এই পথে পারাপার হয়। এ গ্রামগুলোতে প্রায় ৮/১০ হাজার লোকের বসবাস। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো তাদের একমাত্র ভরসা।
এলাকায় বসবাসরত বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আখচাষি কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. আকরাম হোসেন মিয়া জানান, এ ঘাটটি ১৯৭০ সালের আগের। তখন বদরুদ্দিনের ঘাট নামে পরিচিত ছিল। আবার গেঞ্জির মিল হওয়ার পর এটাকে গেঞ্জির মিলের ঘাট বলে। এ ঘাট দিয়ে দুটি ইউনিয়নের নয়াবাড়ি ঘোষকান্দি, মহিষাপুর, বামুন্দি বালিয়াকান্দি, মহিষাপুর উত্তরপাড়া, কাঁঠালবাড়ি, মোল্ল্যাডাঙ্গি, রামদিয়া এবং ওপারের মথুরাপুর গ্রামসহ ৭ গ্রামের দশ হাজার লোক প্রতিদিন এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়।
১৯৯৮ সালের দিকে তত্কালীন সরকার একটি ব্রিজের প্রজেক্ট দিয়ে টেন্ডার করেছিল। কিন্তু সেটি আবার পরবর্তী সরকার বাতিল করে। বর্তমান সরকারের কর্তা ব্যক্তিদের পিছনে অনেক সময় দেয়া হয়েছে এই ঘাটে একটি ব্রিজ নির্মাণের। কিন্তু তাতে কোন কাজ এখনও হয়নি।
