ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দাবদাহ বইছে। মিলছে না বৃষ্টির দেখা। এ অবস্থা আরো দু’একদিন অব্যাহত থাকবে। এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ফণি বাংলাদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে কিনা সেটা ২/১ দিন পর বোঝা যাবে। এদিকে আজ মঙ্গলবার রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানতঃ শুষ্ক থাকতে পারে। রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো রাজশাহীতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন সিলেটে ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় তাপমাত্রা ছিলো ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় ঘূর্ণিঝড় ফণি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫৩০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৬০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৮০ কিঃ মিঃ দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ৪৫০ কিঃ মিঃ দক্ষিণে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিঃ মিঃ এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিঃ মিঃ যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিঃ মিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
