বাজিতপুর উপজেলার গাজীরচর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে যৌতুকের বলি দু’সন্তানের জননী মাহমুদা আক্তার (২৬)। হত্যাকারীদের মূল আসামিরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। মামলার এজহারভুক্ত ৩নং আসামি শাশুড়ী জাহেরা খাতুন (৬০) গ্রেফতার হলেও মূল আসামি মো. মামুন মিয়া ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। গত ১২ ডিসেম্বর মামলা হলেও হত্যা মামলাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। জানা যায়, মাহমুদার স্বামী মামুন মিয়া (৩৫) যৌতুকের জন্য মাহমুদাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন চালাতো। কিন্তু মাহমুদার পিতা গরীব স্কুল শিক্ষক হওয়ায় যৌতুকের দাবি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এর জন্য মেয়েটিকে নানা অপবাদ দিতেও দ্বিধাবোধ করেনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাজিতপুর থানার ও,সি আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামীদেরকে গ্রেফতারের তত্পরতা অব্যাহত রয়েছে।
