ছোটমণিদের সন্দেশ

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৩
বিজয় দিবস উদযাপন মানিকগঞ্জের গড়পাড়া সারথী কচি-কাঁচার মেলার উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর সকালে সারথী মেলার কার্যালয় প্রাঙ্গণে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা মেলার উপদেষ্টা সাইফুদ্দিন আহমেদ তাইমুর ও সংগঠনের পতাকা মেলার ছোটবোন জার্সিয়া সিদ্দিকী অর্থি উত্তোলন করে। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ স্মরণে ১ মি. নিরবতা পালন করা হয়। পরে সারথী মেলার উপদেষ্টা শওকত আকবর হান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেয়— শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপিকা হোসনে আরা আহমেদ লতা, সারথী মেলার উপদেষ্টা আর. ডি. ও হামিদা আহমেদ রত্না, উপদেষ্টা মাহবুব আলম সিদ্দিকী, সংগঠক সিরাজুল ইসলাম ভুঁইয়া জলিল, সাথী ভাই মাহবুব হোসেন পলাশ, অলিভিয়া চৌধুরী কনক, ও সালাউদ্দিন আহমেদ রিফাত। শেষে আনন্দ র্যালির মাধ্যমে সুদীর্ঘ ৮ কি.মি. পথ পায়ে হেঁটে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি শাহাদাতবরণকারী শহীদ চানমিয়া সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে প্রায় দেড় হাজার শিশু-কিশোর। বিকেল ৪টায় পিঠা উত্সব মেলার আয়োজন করা হয়। পিঠা উত্সব উদ্বোধন করে সারথী মেলার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন পরিচালক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু। পল্লবী কচি-কাঁচার মেলা নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলা মহান বিজয়ের ৪১ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২ দিনের টানা কর্মসূচি পালন করল বান্দুরা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সহস্রাধিক মোমবাতি প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। মোমবাতি প্রজ্বালনে বিজয়ের ৪১ বছরেও যে কালিমা দূর হয়নি, তা আলোর আভায় দূরীভূত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। আলোক প্রজ্বলনে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মেলার প্রতিনিধি হিসাবে যুগ্ম-সংগঠক শুভাশিস গোম্বামীও উপস্থিত ছিলেন। ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় শুরু হয় ২য় দিনের কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দুরা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বাবু গুরুদাস সরকার। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উত্সর্গকারী সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন পূর্বক ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বক্তব্য পর্বে আমন্ত্রিত সকল অতিথিবৃন্দ শিশুদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সে সময়ের দিনগুলোর বর্ণনা দেন। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে শিশুদের জানা মুক্তিযুদ্ধ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ৪ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এরা হচ্ছে ইমন হোসেন (৪র্থ শ্রেণি), অনন্ত হালদার (৪র্থ শ্রেণি) শেখ রোহিত হোসেন (২য় শ্রেণি) ও মো. আতাউর রহমান (২য় শ্রেণি)।