তোমাদের চিঠি পেলাম

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৩
ফাতেমা আক্তার নবম শ্রেণি, সাবেরা সোবহান সরকারি বা.উ. বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তোমার পাঠানো দীর্ঘ চিঠি ও একাত্তরকে নিয়ে কবিতাটি পেয়েছি। ডিসেম্বর মাসের চারটি আসরে মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে লেখা ছাপা হয়েছে। তোমার পাঠানো একাত্তরের চিঠি দেরিতে পেলাম। তুমি শীতকে নিয়ে অন্য লেখা পাঠাও। নিয়মিত কচি-কাঁচার আসর পড়তে হবে। ফারজানা সুমাইয়া সদস্য নম্বর: ২০২৭ সুমাইয়া, তোমার পাঠানো ‘বিজয়’ যথা সময়ে পেয়েছিলাম অনেকেই লেখা পাঠিয়েছে। তোমার লেখাটিও মন্দ হয়নি। তাই চার পঙক্তি এখানে ছেপে দিলাম। লেখার সাথে অবশ্যই পুরো ঠিকানা লিখবে। ডাকে লেখা পাঠালেই পাবো। বিজয়ের খুশিতে সবাই পাগলপারা, বিজয়ের খুশিতে সবাই আত্মহারা সে খুশি ধরে রাখতে হবে স্বাধীন দেশে স্বাধীন সবাই রবে। কাজী মেহেদী হাসান সম্রাট সদস্য নম্বর: ৯৪৫ পিঙ্গলাকাঠি, বরিশাল। কবিতা পেয়েছি। তোমার সদস্য নম্বর দেখলে বোঝা যায় তুমি আসরের পুরনো বন্ধু। তুমি মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে শ্রদ্ধার আকাশে লিখেছো এবং এটি বড্ডো দেরিতে পেলাম। তুমি অন্য লেখা পাঠাও, ভালো হলে অবশ্যই ছাপা হবে। মুহাম্মদ আবদুল আলিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ‘আঁকতে পারি দেশের ছবি’ মন্দ হয়নি। বিবেচনাধীন থাকলো। নিয়মিত কচি-কাঁচার আসর পড়বে। সুমাইয়া আক্তার স্মৃতি সদস্য নম্বর: ২০৮১ আলী আহমেদ স্কুল ও কলেজ, গোড়ান, ঢাকা। তোমার ছোট্ট ছড়াটি পেয়েছি। মন্দ হয়নি। সামান্য সংশোধন করে ছেপে দিলাম। সিফাতকে বলো ওর কৌতূক পেয়েছি। আকাশেতে মেঘ ডেকেছে ব্যাঙ উঠছে নেয়ে তাই না দেখে ঢিল ছুঁড়েছে পাড়ার ছেলে মেয়ে। মো. আবু তাহের কাউখালি, বামনা, বরগুনা। হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। বার বার লেখা পাঠাতে হয়। এবারের পাঠানো ‘কেমনে ভুলিব আমি’ লেখাটি ভালো হয়েছে। যথা সময়ে ছাপা হবে। আরো লেখা চাই।