শালিখা উপজেলার তালখড়ি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কলেজের ১টি ভবনসহ ৭৪ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কলেজ কমিটির সদস্য মো. জাকির হোসেন কলেজের জমি উদ্ধারের জন্য জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে শালিখার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিবিজড়িত তালখড়ি গ্রামে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজ নামে একটি কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এলাকাবাসীর অনুদানে কলেজের নামে ৭৪ শতাংশ জমি কেনা হয়। ওই জমিতে ১টি ভবন নির্মাণ করে মো. নাজমুল হুসাইনকে অধ্যক্ষ নিযুক্ত করা হয়। কলেজটি চালু না হওয়ায় অধ্যক্ষ নিজেই অব্যাহতি নেন।
কলেজটি পুনরায় চালুর জন্য অধ্যক্ষ নাজমুল হুসাইনের কাছে কলেজের কাগজপত্র চাওয়া হলে তিনি গড়িমসি শুরু করেন। এতে সন্দিহান হয়ে কলেজ কমিটির সদস্য মো. জাকির হোসেন গত ১৩/১১/২০১২ তারিখে শালিখা থানায় একটি জিডি করেন। যার নং-৪৮৮। অভিযোগকারী সূত্রে আরো জানা গেছে, ওই অধ্যক্ষ কলেজ কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে রেজুলেশন মূলে কলেজের ৭৪ শতক জমি নিজের স্ত্রী ও দুই ভাইয়ের নামে লিখে নিয়েছেন। এব্যাপারে তিনি গত ২৮/১১/১২ তারিখে স্থানীয় সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটি দলিল সম্পাদন করেছেন। যার নং-৪১৭৮। এ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ মো. নাজমুল হুসাইন জানান, কলেজটি চালু না হওয়ায় কমিটির কতিপয় সদস্য কলেজের সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা ভাগ করে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। ভাগবাটোয়ারার হাত থেকে সম্পত্তি রক্ষার জন্য তিনি ওই সম্পত্তি নিজ স্ত্রী ও ভাইদের নামে রেজিস্ট্রি করেছেন। তবে কলেজ চালুর উদ্যোগ নিলে জমি ফেরত দিবেন বলে জানান। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিএম মুন জানান, জমি বিক্রির ক্ষমতা অর্পণ সংক্রান্ত রেজুলেশনে তিনি স্বাক্ষর করেন নাই।
