পরপর দুই বছর লোকসান কাটিয়ে ওঠতে যশোরের চৌগাছার আলুচাষীরা তীব্র শীত উপেক্ষা করে আলু ক্ষেত পরিচর্যায় কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। অধিক ফলন আর লাভের আশায় তারা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
চৌগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত দুই বছর কৃষকরা আলুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় এবার আলু চাষে চৌগাছর কৃষকরা আগ্রহ হারিয়েছেন। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২শ’ ৮ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ৩শ’ ১০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে ।
কৃষি বিভাগ চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলনের আশা করলেও কৃষকরা তাদের উত্পাদিত আলুর ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কিত। চৌগাছার বাটিকামারি গ্রামের কৃষক শামসুল ইসলাম জানান, গত দুই বছর যেভাবে আলুতে লোকসান গুণতে হয়েছে, তাতে এবার যদি দাম ভাল না পাওয়া যায় তাহলে হয়তো পথে বসতে হবে। চাঁদপাড়া গ্রামের আসাদুল ইসলাম জানান, এ বছর পুষিয়ে নিতে এবং ভাল দামের আশায় ১৪ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। এভাবে ফতেপুর গ্রামের মমিনুর রহমান ২০ বিঘা, মুক্তারপুর গ্রামের কৃষক এনামুল হক ১৫ বিঘা, একই গ্রামের কাজেম আলী ৫ বিঘা, মনির হোসেন ৭ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন।
সরেজমিনে চৌগাছার বিভিন্ন বাজার ঘুরে নতুন আলু দেখা গেছে। প্রতি কেজি আলু ২৪-২৫ টাকা খুচরা ও পাইকারি ১৮-২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের কাছে দাম একটু বেশি মনে হলেও দাম পেয়ে কৃষকরা অনেক খুশি বলে জানান।
