এখন শীতকাল এবং শুষ্ক মওসুম। এ মওসুমে আর্দ্রতামুক্ত থাকার কারণে পথঘাটে ধুলো-বালি উড়তে থাকে। এ সময় গাছের পাতা ঝরে যায়। প্রতি বছর এ মওসুমে দেশের প্রতিটি জেলায় আগুনে কোটি কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি জীবনহানিও ঘটে। কথায় বলে—চোরে চুরি করলে ঘরের বেড়া হলেও থাকে, আগুনে পুড়লে কিছুই থাকে না। আগুন থেকে সতর্ক থাকলে আগুনের ক্ষয়-ক্ষতি থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। চুলার আগুন ও বিড়ি-সিগারেটের জলন্ত শেষাংশ থেকে শর্ট সার্কিট এবং নানাবিধ কারণে আগুন লাগতে পারে। গ্রামগঞ্জে চুলার আগুন থেকে বেশি আগুন লাগে। রান্না শেষে চুলার মুখ ঢেকে রাখা আবশ্যক। প্রতিটি ঘরে দু’বালতি বালি ও পানি মজুদ রাখা বাঞ্ছনীয়। যত্রতত্র সিগারেট বা বিড়ির জ্বলন্ত শেষাংশ ফেলা উচিত নয়। অনেক সময় রান্নাঘরে মেয়েদের শাড়িতে অসতর্ক অবস্থায় আগুন লেগে যায়। শাড়িতে আগুন লাগলে দৌড়াদৌড়ি না করে মাটিতে গড়াগড়ি দিন। গ্যাসের চুলা সারাক্ষণ না জ্বালিয়ে রান্না শেষে নিভিয়ে দিন। গ্যাসের চুলার তাপে কাপড়চোপড় শুকাবেন না। নিজের জীবন এবং সারা জীবনের সঞ্চিত সম্পদ রক্ষায় আগুন থেকে সাবধান খাকুন।
সুমিত্র বিকাশ বড়ুয়া,
নন্দনকানন, চট্টগ্রাম
