মেলা না জমলেও ভিড় বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নে

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১১
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ১৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এখনো পুরোপুরি জমে উঠেনি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাতে গোনা কিছু লোক দেখা যায় মেলা চত্বরে। তবে বিকালের দিকে লোকজন আসতে শুরু করেন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মেলায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি প্যাভিলিয়ন ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এ প্যাভিলিয়ন। প্যাভিলিয়নটি মেলার প্রধান গেটের সামনেই তৈরি করা হয়েছে। অন্য কোন প্যাভিলিয়নে ভিড় দেখা না গেলেও মেলার শুরু থেকেই এ প্যাভিলিয়নে ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াও ছোট-বড়, কিশোর-কিশোরী, যুবক-বৃদ্ধ সবাই ভিড় করছেন এই প্যাভেলিয়নে। মিরপুর বাংলা কলেজ থেকে মেলায় আসা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, এ প্যাভিলিয়ন থেকে আমরা দেশ ও দেশের ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পেরেছি; যার অনেক কিছুই অজানা ছিল। অষ্টভুজ আকৃতির এ প্যাভিলিয়নের সামনেই রয়েছে বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য। প্যাভিলিয়নের দুই পাশে এবং উপরে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ছবি। প্যাভিলিয়নের ভেতরে প্রত্যেক দেয়ালে বঙ্গবন্ধু, তার পরিবার ও রাজনৈতিক জীবনের নানা ছবি রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ভাষণ ও তার অনুবাদ, প্রবাসী কন্যা শেখ হাসিনাকে লেখা চিঠি, বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন ভাষণের অংশ বিশেষের প্রদর্শনি এই প্যাভিলিয়নের প্রধান আকর্ষণ। এছাড়া প্যাভিলিয়নের মধ্যে ষড়ভুজ আকৃতির একটি ঘর রয়েছে। এর মধ্যে একটি বড় প্রজেক্টর রয়েছে। যাতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের ওপর নির্মিত বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হচ্ছে। এছাড়া প্যাভিলিয়নের ভিতরে আরো দুটি মনিটর রয়েছে; যার একটিতে বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র দেখানো হচ্ছে। অন্যদিকে দেয়ালের তাকে রাখা আছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন লেখকের ৪৩টি বই। এর মধ্যে ৪০টি বই বাংলায় এবং ৩টি ইংরেজীতে লেখা। বইগুলোর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অসমাপ্ত জীবনী, কবীর চৌধুরী সম্পাদিত বঙ্গবন্ধু: জননায়ক থেকে রাষ্ট্রনায়ক, আনু মাহমুদের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, এবিএম মূসার মুজিব ভাই, আতিউর রহমানের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাই ফাদার মাই ফ্রিডম উল্লেখযোগ্য।