মোশাররফ-ফেরদৌস রিমান্ড শেষে কারাগারে

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৪
পদ্মা সেতু প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের প্রধান আসামি সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (নদী শাসন) কাজী ফেরদৌউসের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আসামিদের গত ২৭ ডিসেম্বর ৭ দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গতকাল শুনানি শেষে মহানগর হাকিম এম এ সালাম এ আদেশ দেন। বিচারক তাঁর আদেশে বলেন, আসামিরা একে অপরের সহায়তায় পরস্পর লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ লেনদেনে ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্মাণ কাজে পরামর্শক নিয়োগের ক্ষেত্রে এসএনসি-লাভলিন ইন্টারন্যাশনাল ইনকরপোরেশনকে কার্যাদেশ পাইয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন। এ পর্যায়ে আবেদন নামঞ্জুর করা হলো। জামিন শুনানির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে সেতু সচিব আদালতকে বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে আমি কোন দুর্নীতি করিনি। বিশ্বব্যাংক ও মন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে সব কাজ করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তুড়ি মেরেই উড়িয়ে দেব। আমার কাছে সব প্রমাণ আছে। আমি যে কোন সময় তা আদালতকে দেখাতে পারবো। পরে তার আইনজীবী সৈয়দ শাহ আলম প্রতিদিন আদালতে কিংবা দুদকে হাজির হওয়ার শর্তে হলেও আসামিদের জামিন প্রার্থনা করেন। এ সময় দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন কাজল জামিনের বিরোধিতা করেন। পদ্মা সেতু প্রকল্পে গত ১৭ ডিসেম্বর কানাডিয়ান কোম্পানি এসএনসি-লাভালিনকে পরামর্শক হিসেবে কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার এ দুইজনসহ সাতজনকে আসামি করে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা দায়ের করে দুদক।