‘বিদ্যুত্ ও পেট্রোল-ডিজেলের দাম এক পয়সা বাড়ানো হলে তা সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করা হবে। এই সরকারের আমলে চারবার জ্বালানি তেলের ও ছয়বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ দফা দাম বাড়ানোর সময় প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল যে এই সরকারের আমলে আর দাম বাড়ানো হবে না। এখন যদি আবার বাড়ানো হয়, তাহলে সরকার মুনাফেক হিসাবে চিহ্নিত হবে।’
সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ এবং বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
একই সাথে ৯ জানুয়ারি, সারা দেশে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও ঢাকায় এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন অফিসের সামনে ‘গণধর্ণা’ অভিযানের কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার প্রভাব অন্য সব খাতে পড়ে। ফলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি অসহনীয়ভাবে বেড়ে যায়। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নেমে আসে গভীর সঙ্কট। সরকার বিদ্যুত্ খাতে ভাড়ায় আনা বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের যে ভ্রান্ত নীতি নিয়েছে, তার বিপুল আর্থিক দায়ভার এখন সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগের প্রতিবাদে গতকাল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
