ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর রামপুর গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ৪ ছেলের মধ্যে ৩ জনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। অভাবী সংসারে এদের লালন-পালন ও ভরণ-পোষণের কেউ নেই।
পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। মৃত আবদুল খালেকের দ্বিতীয় ছেলে তাদির ইসলাম (৩৫) ১০-১১ বছর পূর্বে কোমরে ও পায়ে ব্যথা দেখা দিলে চিকিত্সা নেয়া অবস্থায় দুই পা বিকলাঙ্গ হয়ে যায়। তার আর বিয়ে করা হয়নি। বড় ছেলে সাদির ইসলাম (৪৫) সুস্থ অবস্থায় বিয়ে করে সুখেই দিন কাটাচ্ছিল। তাদের ঘরে একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান হলেও পরে মারা যায়। প্রায় ৫-৬ বছর পূর্বে হঠাত্ তার কোমরে ও পায়ে ব্যথা দেখা দিলে চিকিত্সা নেয়া অবস্থায় তার দুই পা বিকলাঙ্গ হয়ে যায়। এর পর থেকেই বিছানায় শুয়েই দিন কাটে। এরই মধ্যে তৃতীয় ছেলে ফয়দুল ইসলাম (৩০) সুস্থ অবস্থায় বিয়ে করে ১ ছেলে ও ৩ মেয়ের জনক হয়। বেশ ভালই কাটছিল দিনকাল। নভেম্বর মাসে হঠাত্ তার কোমরে ও পায়ে ব্যথা দেখা দিলে চিকিত্সা নেয়া অবস্থায় দুই পা বিকলাঙ্গ হয়ে পড়ে। ফলে তাদের সংসারে নেমে আসে অন্ধকার। ছোট ছোট শিশু সন্তানদের নিয়ে মা পড়েছে বিপাকে। আর চতুর্থ ছেলে রফিজ ইসলাম বিয়ে করে স্ত্রী নিয়ে কয়েক বছর পূর্বে অন্যত্র চলে গেছে।
