বিগত দুই দশক ধরে আমি ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক টাকা রাখি। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে, জনগণের প্রচন্ড আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও নানা কারণে মানুষ এখানে আগ্রহ হারাচ্ছে। কয়েকটি জেলার প্রধান ডাকঘরে আমি লেনদেন করি। এখানে জনবল সংকট লেগেই আছে। সুদীর্ঘ দুই দশকেও কোনো অগ্রগতি তেমন নজরে পড়েনি। বেশিরভাগ কর্মচারীই আমানতকারীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। যেমন চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ফেনী। একটা হিসাব সম্পন্ন করতে কয়েক ঘন্টা লেগে যায়। এখানে অনেক কর্মচারী ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ না দিলে হয়রানি আরো বাড়ে। প্রাপ্ত মুনাফা থেকে ৫% হারে যে উেস কর কেটে নেয়া হয় তার কোন রশিদ দেয়া হয় না। ফলে যারা আয়কর দেন তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। মেয়াদি হিসাবের ক্ষেত্রে নবায়ন কতবার করা যাবে তাও একেক শাখায় একেক কথা বলা হয়। নাবালক হিসাব কয়েক বছর আগে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ ব্যাংকে ছাত্রছাত্রীদের জন্যও হিসাব খোলা যায়। সবমিলিয়ে তাই ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে। অবিলম্বে এখানে পর্যাপ্ত দক্ষ ও সত্ লোক পদায়ন করা হোক। উেস করের ছাপানো রিসিট যাতে পাওয়া যায় সেই ব্যবস্থা জরুরিভিত্তিতে করা হোক। মেয়াদি হিসাব ব্যাংকের মতো অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যাতে অটো রিনিউ হয়ে যায় সে নিয়ম চালু করা হোক। এ ব্যাপারে পুনরায় খোলার ব্যবস্থা করা হোক। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করি।
বাবুল হোসেন,
বিলাশপুর, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
