বরগুনার বেতাগীতে ডাকবিভাগ থেকে পেনশন উত্তোলনকারীদের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিনামূল্যের পেনশন বই ২ হাজার টাকা উেকাচ নিয়ে সরবরাহ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের তীর বরগুনা প্রধান ডাকঘরের হিসাব রক্ষকের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পেনশনভোগী আরও জানান, ঐ কর্মকর্তার খামখেয়ালিপনা, স্বেচ্ছাচারিতার কারণে প্রায়শই পেনশনভোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে একের পর এক অপকর্ম করে চললেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কোন লাভ হয় না। জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুরা গ্রামের টিএন্ডটি থেকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়াত আব্দুল জলিলের স্ত্রী মসজিদা খানম বিউটি পেনশনভোগী হিসাবে প্রতিমাসে ২০৩৫ টাকা উত্তোলন করে আসছেন। ভাতা উত্তোলনের নতুন বই পাওয়ার জন্য পেনশনভোগী মসজিদা খানম নিয়ম মোতাবেক বেতাগী ডাকঘরের মাধ্যমে বরগুনা প্রধান ডাকঘরের হিসাব রক্ষকের নিকট জমা করেন। জমাদানের পর বইটি ইস্যু করতে এক সপ্তাহের বেশি সময়ের প্রয়োজন না হলেও উক্ত হিসাব রক্ষক প্রায় ২ মাস হযরানির পর বিনামূল্যের বই ২ হাজার টাকা উেকাচ দাবি করলে তা দেয়ার পর বই সরবরাহ করা হয়। মোবাইল মানিঅর্ডারের মাধ্যমে এ টাকা প্রদান করা হয়। একইভাবে উপজেলার প্রয়াত মোহাম্মদ উল্লাহর স্ত্রী পেনশনভোগী রহিমা বেগমের নিকট থেকেও দীর্ঘ সময় হয়রানি শেষে ২ হাজার টাকা নিয়ে বই সরবরাহ করা হয়। উপজেলার আরও ২৫ জন পেনশনভোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বই দেয়ার নামে উেকাচ নেয়া হয় বলে অভিযোগকারীরা জানান। এ ব্যাপারে বরগুনা প্রধান ডাকঘরের হিসাব রক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করে এ সব তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন।
