‘অনলাইনে কেনাকাটা করুন, যেকোনো কিছু, যেকোনো সময়’ এই শ্লোগান ধারণ করে অনলাইনে কেনাবেচা জনপ্রিয় করতে রাজধানীতে গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে ই-কমার্স সপ্তাহ। এ সময়ে ই-কমার্স বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা, গোলটেবিল বৈঠক, সেমিনার ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) যৌথভাবে এই সপ্তাহের আয়োজন করেছে। ই-কমার্স সপ্তাহ চলবে আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দাশগুপ্ত অসীম কুমার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, বেসিস সভাপতি একেএম ফাহিম মাশরুর, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন, ই-কমার্স সপ্তাহের আহ্বায়ক ও বেসিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম আহসান প্রমুখ।
গভর্নর বলেন, রাজধানীর নিত্য দিনের যানজট ঠেলে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কেনাকাটা করা বেশ কঠিন কাজ। ই-কমার্সের মাধ্যমে ঘরে বসে পণ্য বেচা-কেনার সুযোগ থাকায় উত্পাদনকারী ও বাজারজাতকারী উভয়েই লাভবান হবেন। তিনি বলেন, এসএমই খাতে উত্পাদিত পণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে বিপণন করা যাবে। এতে করে কেনাকাটার মূল্য পরিশোধে নগদ টাকার প্রয়োজন এড়িয়ে জালনোট, ময়লা ছেঁড়া নোট সংক্রান্ত বিপত্তি ও বিরক্তি এড়ানো যাবে। ই-কমার্স পদ্ধতি পুরোদমে চালু হলে মানুষের জীবনযাত্রার মান যেমন বেড়ে যাবে, একইসঙ্গে ব্যাংকগুলোর অবকাঠামো ব্যয়ও কমবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ই- কমার্স সপ্তাহের সহযোগী আয়োজক হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক এবং সফটওয়্যার সপ লিমিটেড ওয়ারলেস। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ৪টি গোলটেবিল বৈঠক, একটি সেমিনার, দুইটি কারিগরি সেশন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে প্রচারমূলক বিশেষ কার্যক্রম ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
