ফরিদপুরের স্কুলছাত্রী চম্পার লাশের ফের ময়না তদন্ত হবে

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৯
ফরিদপুরের পুরদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী জাকিয়া আক্তার চম্পার লাশ কবর থেকে তুলে আবারো ময়না তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালত জেলা প্রশাসনের প্রতি এ নির্দেশ দেন। শনিবার অথবা রবিবার চম্পার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। গত ৩১ ডিসেম্বর মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে কবর থেকে চম্পার লাশ তুলে পুন:ময়না তদন্তের আবেদন জানালে আদালত এ নির্দেশ দেন। গত ১৪ ডিসেম্বর স্কুলছাত্রী চম্পার লাশ তার বাড়ি সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের কাশিমাবাদ গ্রাম থেকে আধাকিলোমিটার দূরের একটি মেহগনি গাছে গলায় পরনের শাড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিত্সক ডা. অঞ্জন কুমার দাস লাশের ময়না তদন্ত করেন। চিকিত্সক চম্পার মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করেন। ওই রিপোর্টে চম্পাকে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয়। মামলার বাদী নিহত চম্পার ভাই হাসিবুল ইসলাম চিকিত্সকের দেয়া ময়না তদন্তের রিপোর্টে আপত্তি জানিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের মাধ্যমে লাশের পুন:ময়না তদন্তের দাবি জানান। ফরিদপুরের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রাসিন, মহিলা পরিষদ, ব্লাস্ট ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পর্ষদ চম্পা ধর্ষণ ও হত্যা রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে চম্পাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার এসআই আবুল খায়ের ইত্তেফাককে বলেন, মামলার দুই আসামি আবুল ও হাসেমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রধান আসামি শামিমকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।