জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে রপ্তানিকারকদের সংগঠন এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। ইএবি প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম মুর্শেদী স্বাক্ষরিত গতকাল শনিবার পাঠানো এক প্রেসবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, শিল্প উদ্যোক্তাদের দুর্দশার শেষ নেই। বর্তমানে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প নানা প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন। দফায় দফায় জ্বালানি তেল, বিদ্যুত্, গ্যাস, ফ্যাক্টরি স্থাপনা ভাড়া, উেস কর, আয়কর, আমদানি শুল্ক, ব্যাংকের সুদ হার বৃদ্ধিসহ কাঁচামাল আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন খাতে ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্পাদন খরচ আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগী দেশের রপ্তানিমূল্য তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে।
৩ জানুয়ারি মধ্যরাত হতে কার্যকর করা লিটার প্রতি ডিজেলের দাম ৭ টাকা, পেট্রোলের দাম ৫ টাকা এবং অকটেনের দাম ৫ টাকা বৃদ্ধি করায় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত আরো সমস্যার আবর্তে পড়ে গেল। বিদ্যুত্ সরবরাহ কম হওয়ায়, শিল্প ইউনিটগুলোতে ক্যাপটিভ জেনারেটর ব্যবহার করে বিদ্যুত্ উত্পাদনের মাধ্যম ফ্যাক্টরি চালু রাখতে হয়। ক্যাপটিভ জেনারেটরে জ্বালানি হিসেবে ডিজেলও ব্যবহূত হয়ে থাকে। অথচ এই ডিজেলের মূল্যও লিটার প্রতি ৭ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে দেশের রপ্তানি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং রপ্তানি হ্রাসের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে। ইএবি’র পাঠানো প্রেসবার্তায় জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য রপ্তানিখাতের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনা করে প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের নিকট অনুরোধ করা হয়।
