নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরের ব্যবসায়ী আজহার হামিদ আরমানের ক্রয়কৃত জমি বুঝে না দিয়ে ভাড়াটে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গত শনিবার সৈয়দপুরস্থ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের নিজস্ব কোচ কাউন্টারে আহুত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ২০০২ সালে একই এলাকার সাইফুল ইসলাম মুকুলের কাছ থেকে ৩.৭৫ শতক বসতভিটা ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। এটি ক্রয়ের পর খারিজ, খাজনা পরিশোধসহ যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ সম্পাদন করা হয়। জমিটি বিক্রির সময় বিক্রেতার ভগ্নিপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম মোখলেছুর রহমান ও সংশ্লি¬ষ্ট ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শেখ মোহন সাক্ষী হিসাবে ছিলেন। সেসময় বাড়ি বিক্রেতা মুকুলের নিকট মাসিক ১ হাজার ৫শ’ টাকা ভাড়ায় ১ বছরের জন্য থাকার জন্য লিখিত চুক্তি করেন। ভাড়ার মেয়াদ এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর ক্রেতা আজহার হামিদ আরমান বাড়িটি ছাড়বেন না বলে হুমকি প্রদান করে।
আজহার হামিদ আরমান সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র বরাবরে জমির দখল পাওয়ার জন্য একটি লিখিত আবেদন করেন। পৌরসভা এরই পরিপ্রেক্ষিতে পর পর ৩টি নোটিস মুকুলকে প্রদান করলেও বিষয়টি সে আমলে নেয়নি। এনিয়ে বাড়ির মালিক বিভিন্ন সময়ে থানায় কয়েকটি জিডি ও একটি মামলা করেছেন।
পৌর মেয়র অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার জানান, নোটিস প্রদানের পর বিবাদী না আসায় বিধিমত ওই ব্যবসায়ীর পক্ষে রায় দিয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
সাইফুল ইসলাম মুকুল জানান, ছেলেদের বিদেশ পাঠানোর জন্য ২ লাখ টাকা গ্রহণ করে বোনদের সমর্থনে আমি একটি দলিল করে দিয়েছি। ভাড়া থাকার বিষয় ও তাদেরকে মারপিট এবং প্রাণনাশের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরং তারাই জোরপূর্বক ১শ’ ৫০ টাকায় স্ট্যাম্পে আমার সই নিয়েছে এবং মারপিট করে আমার হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির জানান, কয়েকটি অভিযোগ থানায় দেয়া হয়েছে। আমরা তদন্ত করে আদালতের দুটি মামলার চার্জশিট দিয়েছি এবং বাকি জিডির বিষয়টি তদন্ত চলছে।
