শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমছেই। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ১২১ কোটি টাকা। অথচ ২০১০ এ ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় আড়াই থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১২৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই- ২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৯ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৪৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে ১২১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৮ হাজার ৩৫৫ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৬১ টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২ টির, কমেছে ১৯০ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯ টি কোম্পানির শেয়ারের। ডিএসই’র মোট ২৬১ টি কোমপানির ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৩ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের হাত বদল হয়েছে।
লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসই’র প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বেক্সিমকো, ইউনিক হোটেল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, সামিট পাওয়ার, এনবিএল, জেনারেশন নেক্সট, বেক্সিমকো ফার্মা, এনভয় টেক্স ও গ্রামীণ ফোন। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স, দেশ গার্মেন্টস, ৮ম আইসিবি, রেনেটা, ম্যারিকো ইন্ডাস্ট্রিজ, এপেক্স ফুডস, এবিবি ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, রহিম টেক্সটাইল, তাকাফুল ইন্সুরেন্স ও রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- শমরিতা হাসপাতাল, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, মাইডাস ফাইন্যান্স, আইসিবি এমপ¬য়ী মিউচুয়াল ফান্ড ১ স্কীম ১, আইসিবি ১ম এনআরবি, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, পাওয়ার গ্রীড, এআইবিএল ১ম ইসলামী মিউচুয়াল ফান্ড, জেনারেশন নেক্সট ও গ্রামীণ ১।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৯১ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৬৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে সিএসই- ৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৭ পয়েন্ট কমে ১০ হাজর ৯০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন সিএসইতে মোট ১৬ কোটি ৭ লাখ ৩২ হাজার ৮৪৪ টাকা লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৮২ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ১৭০ টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭ টির কমেছে ১৪০ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩ টি কোম্পানির শেয়ারের।
