রামেক হোস্টেলে অবৈধ বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:০০
তিনটি ছাত্রী হোস্টেলে অবৈধ বৈদ্যুতিক হিটার ও ফ্রিজের বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের (রামেক) ছাত্রীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। তারা দাবি আদায়ে শনিবার রাতে এবং রবিবার সকালে পৃথকভাবে কলেজ অধ্যক্ষের বাসভবন এবং অফিস চারঘন্টা ঘেরাও করে রাখে। পরে রবিবার দুপুরে কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. দায়েম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কলেজ একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় ছাত্রীদের আন্দোলনের কারণ উদঘাটন এবং বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে ২টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে যথাক্রমে অধ্যাপক ডা. মোসাদ্দিক হোসেন ও অধ্যাপক ডা. লুত্ফর রহমানকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে কর্তৃপক্ষ আয়েশা সিদ্দিকা, ফাল্গুনি ও পলিন ছাত্রী হোস্টেলের অবৈধ বৈদ্যুতিক হিটার ও ফ্রিজের বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিকালেই ছাত্রীরা পুনরায় বৈদ্যুতিক সংযোগ লাগানোর চেষ্টা করলে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাতে বাধা দেয়। এ কারণে ছাত্রীরা রাতের খাবারের ব্যবস্থা করতে না পেরে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রামেক অধ্যক্ষের বাসভবন ঘেরাও করে এবং হোস্টেলে বৈদ্যুতিক হিটার ও ফ্রিজের বিদ্যুত্ সংযোগ পুন:স্থাপনের দাবিতে শ্লোগান দেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হোস্টেল সুপার ডা. ওবায়েদ ইবনে আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে ছাত্রীরা শান্ত হয়। পরদিন রবিবার সকালে ছাত্রীরা দাবি আদায়ে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের অধ্যক্ষের অফিস ঘেরাও করে। কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. দায়েম উদ্দিন বলেন, তিনটি হোস্টেলের ছাত্রীরা প্রতিটি কক্ষে অবৈধভাবে ৪টি করে বৈদ্যুতিক হিটার, ১টি করে ফ্রিজসহ রাইস কুকার ব্যবহার করে আসছিল। এতে অত্যধিক চাপে কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ট্রান্সফরমার পুড়ে যায়।