পাবনায় স্মরণসভায় বক্তারা

স্যামসন এইচ চৌধুরী ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:০১
‘স্যামসন এইচ চৌধুরী ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। মুক্তিযুদ্ধে ছিল তার অনন্য ভূমিকা। তিনি তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সন্তানের মতো দেখতেন। তার জীবন থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।’ দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার রাতে পাবনা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় একথা বলেন বক্তারা। প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক শিবজিত নাগের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরীর বড় ছেলে ও স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামুয়েল এইচ স্বপন চৌধুরী, দ্বিতীয় ছেলে তপন চৌধুরী, পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম সাইদুল হক চুন্নু, প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট রণেশ মৈত্র, এর আগে সকালে পাবনা শহরের উপকণ্ঠে বৈকণ্ঠপুরে পারিবারিক সমাধিস্থল ‘অ্যাসট্রাস’-এ স্যামসন এইচ চৌধুরীর সমাধিতে তার স্ত্রী মিসেস অনিতা চৌধুরী, বড় ছেলে স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামুয়েল এইচ স্বপন চৌধুরী, ছোট ছেলে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী পিন্টুসহ তার স্বজনেরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করেন। পাবনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চ পালক স্যামুয়েল বিশ্বাস বিশেষ প্রার্থনা ও স্মরণসভা পরিচালনা করেন। ড. ডেনিস দিলীপ দত্ত প্রধান বক্তা ছিলেন। চট্টগ্রাম চার্চের পালক রেভারেড টি এইচ চক্রবর্তী বিশেষ প্রার্থনা উপস্থাপন করেন। প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরীর সহধর্মিণী অনিতা রানী চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট খ্রিস্টিয়ান ফেলোশীপের সাধারণ সম্পাদক রেভারেন্ড লিয়র পি সরকার স্মৃতিচারণ করেন। পরিবারের সকল সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।